ক্ষ্মীপুরে যুব ও ছাত্রলীগের সাবেক দুই নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গত বুধবার রাত ১টার দিকে নিহত যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের বড় ভাই ও বশিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় এই মামলা করেন। মামলায় চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি আবুল কাশেম জিহাদীসহ ৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। মাহফুজুর রহমানের দাবি, আবুল কাশেম জিহাদী পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে হত্যা করেছেন।
গত মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট এলাকায় জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব ইমামকে গুলি করে হত্যা করে বন্দুকধারীরা। ওই ঘটনার পর মাহফুজুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেছিলেন, আবুল কাশেম জিহাদী গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পান মাহফুজুর রহমান। ওই নির্বাচন নিয়েই কাশেম ও তার অনুসারীদের সঙ্গে মাহফুজ-নোমান গ্রুপের দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জেরেই আবুল কাশেম জিহাদী পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে হত্যা করেছেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানা সূত্র জানিয়েছে, ইউপি চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের মামলায় আবুল কাশেম জিহাদীকে প্রধান আসামিসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে ৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি তহিদুল ইসলাম বলেন, গতকাল দুপুরে নন্দীগ্রাম ও বশিকপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে নন্দীগ্রামের সেলিম পাটোয়ারীর ছেলে ইসমাইল, আবদুল মান্নান ছেলে মো. সবুজ, বশিপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে আজিজুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ্জামান আশরাফ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। শিগগিরই জিহাদীসহ অন্য আসামিরা ধরা পড়বে।
