মৌসুমী মৌ এখন দেশের জনপ্রিয় উপস্থাপক। অভিনয়েও তিনি নজর কেড়েছেন। তবে এসব পরিচয়ের আগেই তিনি একজন মূকাভিনয়শিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেন। তাই এখনো প্রথম প্রেম ছাড়তে পারেননি। ভালো সুযোগ পেলেই মৌ নেমে পড়েন মাইমের মঞ্চে। তেমনি একটি সুযোগ পেয়েছিলেন সম্প্রতি। তবে সেটি দেশে নয়। দেশের বাইরে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ তাই আর হাতছাড়া করেননি এই শিল্পী। সব ব্যস্ততা ফেলে ছুটে যান কোরিয়ায়। এই সফরের মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো মূকাভিনয়ের জন্য গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটির রাজধানী সিউলে ৭ মে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। সকাল ১১টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর কোরাস সংগীত পরিবেশন করেন অ্যাম্বাসির কর্মকর্তারা। মৌসুমী ৩টি গানের সমন্বয়ে ডুয়েট নাচ পরিবেশন করেন। বাংলার ১২ মাসে ১৩ পার্বণ, বাংলার কৃষ্টিকালচার সেই পরিবেশনায় ফুটে ওঠে। তার একক মূকাভিনয় পরিবেশনা ‘আর নয় আত্মহত্যা’ দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। সোমবার রাতে দেশে ফিরে এই অভিনেত্রী-উপস্থাপিকা জানালেন, ‘খুব আনন্দ হয়েছে এবারের কোরিয়া সফরে। বাংলা নববর্ষ ১৪৩০ উদযাপনের এই আয়োজনে কোরিয়া প্রবাসীরা নিজেদের বাসা থেকে খিচুড়ি, পান্তা, ইলিশ, ভর্তা রান্না করে নিয়ে এসেছিলেন। দেশের বাইরে নিজের কৃষ্টি কালচার দেখে মন ভরে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘মূকাভিনয় করতেই গিয়েছিলাম। সৃজন ভাইয়ার জোরাজুরিতে নাচতে রাজি হয়েছিলাম। ১৩ বছর আগে সর্বশেষ মঞ্চে নেচেছিলাম। এত দিন পর আবার নাচলাম, তাও আন্তর্জাতিক মঞ্চে।’
×
