কাঁচা আমের মৌসুম চলছে। কাঁচা আম দিয়ে জুস, আচারসহ অনেক কিছুই তৈরি করা যায়। কাঁচা আম বা আমের রসে পটাশিয়াম থাকায় প্রচ- গরমে শরীর ঠা-া রাখতে সহায়তা করে। ১০০ গ্রাম কাঁচা আমে পটাশিয়াম থাকে ৪৪ ক্যালরি। এ ছাড়া ৫৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ও ২৭ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে।
উপকারিতা : ভিটামিন সমৃদ্ধ ও মিনারেলে ভরপুর। ক্যারোটিন ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ কাঁচা আম চোখ ভালো রাখার জন্য দরকার। বিটা ক্যারোটিন থাকায় হৃৎপি-ের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ভিটামিন বি-১ ও ভিটামিন-২ ভালো পরিমাণে রয়েছে। ক্যালসিয়াম ও আয়রন রয়েছে। ব্যায়াম করলে কাঁচা আম খেতে পারেন। পটাশিয়ামের অভাব পূরণ হবে। পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকায় অ্যাসিডিটি বা অম্বল, পেশি সংকোচন, মানসিক চাপের ফলে তৈরি শারীরিক সমস্যায় উপকারী। কাঁচা আমে প্রচুর আয়রন থাকায় অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা সমস্যায় বেশ উপকারী।
রোগ প্রতিরোধ : ফাইবার বা আঁশ সমৃদ্ধ হওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এ ছাড়া কোলন বা মলাশয়ে ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। কলেরা, রক্তাল্পতা ও যক্ষ্মা প্রতিরোধে সাহায্য করে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় গরমের সময় সর্দিগর্মি থেকে রক্ষা করে। আমের বীজ শুকিয়ে চূর্ণ করে ডায়রিয়া সারাতে ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য উপকারিতা : যথেষ্ট পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। অ্যালকালাইন জাতীয় খাবার হওয়ায় অ্যাসিডিটি উপশমে ভালো কাজ করে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় অ্যান্টি-ভাইরাস ও অ্যান্টি-ক্যানসার উপাদান রয়েছে। ত্বক উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। আম পাতলা করে কেটে ত্বকের ওপর কিছুক্ষণ রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। রোমকূপের মুখ বন্ধ হওয়ার সমস্যা কমে যাবে। কাঁচা আম শুকিয়ে তৈরি করা আমচূর গুঁড়া স্কার্ভি সারানোয় কার্যকর। কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। এমনকি পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন সি বেশি পরিমাণে থাকে।
