জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে গতকাল বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে উদ্বোধন হলো শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টের। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর ৩৪ ব্যাংক দলের মার্চপাস্টের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার টুর্নামেন্টের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ‘আমি এবং আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন এই (আর্মি) স্টেডিয়ামে শেখ কামাল যুব গেমসে আমন্ত্রিত ছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর পাশেই আসন ছিল। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বললাম শেখ কামালের নামে অনুষ্ঠান করেছেন সেনাবাহিনীর সুশৃঙ্খল নেতৃত্বে। আমরা ব্যাংকাররা আমাদের দেশের অর্থনীতিতে অনেক অবদান আছে। লাখ লাখ গ্রাজুয়েটকে চাকরি দিয়েছি। বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে যে উন্নয়নের গালিচা বিছিয়েছি তার নায়ক ছিলেন আপনি (প্রধানমন্ত্রী)। আপনি অনুমোদন দেন আপনার নামে আমরা একটি টুর্নামেন্ট করতে চাই। তিনি রাজি হলেন।’
প্রধান অতিথি সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন বলেন, ‘আজকের এই টুর্নামেন্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে। প্রধানমন্ত্রীর ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি ভালোবাসা, উৎসাহ এবং সর্বাত্মক পৃষ্ঠপোষকতা এই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সাফল্যের চাবিকাঠি। তাই এই টুর্নামেন্ট তার নামে নামকরণ দেশের খেলাধুলায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং একজন নাগরিক হিসেবে সেনাপ্রধান আশা ব্যক্ত করেন যে ভবিষ্যতেও বিএবি খেলাধুলায় তাদের স্পনসরশিপ বজায় রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএবি ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান এ কে এম নুরুল ফজল বুলবুল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন অফিসাররা, বিএবি সদস্য ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান, পরিচালকসহ অন্যরা।
সিটি ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে উদ্বোধনী ম্যাচ আর্মি স্টেডিয়ামে হলেও বাকি ম্যাচ হবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মাঠে। ফাইনাল হবে ২৬ মে। চ্যাম্পিয়ন দল ৫০ লাখ, রানার্সআপ ৩০ লাখ টাকা পাবে। এছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ দলের জন্য ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
