কালে কালে আকর্ষণ হারিয়েছে আবাহনী-মোহামেডান দ্বৈরথ। মোহামেডান মাঝারি মানের দলে পরিণত হওয়াতেই হারিয়েছে উত্তেজনা। তারপরও ঐতিহ্যবাহী দুই দলের মুখোমুখি লড়াই এখনো রোমাঞ্চ ছড়ায় কিছু ফুটবলপ্রেমীর মনে। আর আশির দশকের টানা টান উত্তেজনার ফুটবলীয় লড়াইটা যদি হয় ফাইনালের মঞ্চে, তবে তো কথাই নেই। চলতি ফেডারেশন কাপে সেই স্বপ্নে ফাইনালের উপলক্ষ তৈরি হয়েছে। জায়ান্টস বসুন্ধরা কিংসকে হারিয়ে চমকে দেওয়া মোহামেডান তাদের দায়িত্বটা সেরে রেখেছে। এবার স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব আবাহনীর কাঁধে। আজ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রকে হারালেই ৩০ মে হবে স্বপ্নের ফাইনাল।
যদিও এই ম্যাচের আগে খুব বেশি স্বস্তিতে নেই আবাহনী। শেখ রাসেলের কাছে স্বাধীনতা কাপের সেমিফাইনালে হেরে গিয়েছিল তারা। লিগেও প্রথম দেখায় জিততে পারেনি আবাহনী, হয়েছে ২-২ ড্র। ফেডারেশন কাপের গ্রুপপর্বে অবশ্য টাইব্রেকারে শেখ রাসেলকে হারিয়েছিল আবাহনী। লিগে সর্বশেষ ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীর কাছে হেরে কিছুটা বিপাকে মারিও লেমসের দল। তবে লেমস আশাবাদী আজ জয়ের ব্যপারে, ‘সবাই যার যার জায়গা থেকে নিজেদের খেলাটা খেলতে পারলে জয় আসবেই। এছাড়া অনেক দিন পর মোহামেডানও ফাইনালে উঠেছে। আমরাও চাই তাদের বিপক্ষে ফাইনাল খেলতে।’ পর্তুগিজ কোচ চট্টগ্রাম আবাহনীর কাছে অঘটনের স্বীকার হওয়া নিয়ে দিয়েছেন ব্যাখ্যা, ‘সেই ম্যাচে নিয়মিত একাদশের কয়েকজন খেলোয়াড় খেলেনি। তাদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল ফেডারেশন কাপের ম্যাচের জন্য। আমরা পূর্ণশক্তি নিয়েই মাঠে নামব। আশা করছি ম্যাচ জিতেই সমর্থকদের খুশি রাখতে পারব।’
কুমিল্লা স্টেডিয়ামে বিকাল সোয়া ৩টায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচটি জিতে স্বাধীনতা কাপের ফাইনালে হারের আক্ষেপ ঘোচাতে চায় শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। তবে তার আগে জুলফিকার মাহমুদ মিন্টুর দলকে দিতে হবে বড় পরীক্ষা। সেই পরীক্ষা উতরাতে পারলে তারাই হবে ফাইনালে মোহামেডানের প্রতিপক্ষ।
