পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার একটি স্কুলের বাইরে নিযুক্ত একজন পুলিশ কনস্টেবলের গুলিতে এক ছাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নারীসহ আরও সাতজন। আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বুধবার (১৭ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক দ্য ডন।
সোয়াত জেলার জেলা পুলিশ কর্মকর্তা (ডিপিও) শফিউল্লাহ গন্ডাপুর জানান, আলম খান নামে পরিচিত ওই কনস্টেবলকে হামলার পরপরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আরও জানতে বিশেষ তদন্তদল গঠন করা হয়েছে। দোষীকে কঠোর আইনি শাস্তি দেওয়া হবে বলে তিনি সবাইকে আশস্ত করেন।
ডিপিও শফিউল্লাহ গন্ডাপুর বলেন, অভিযুক্ত আলম খান সালামপুর এলাকার বাসিন্দা। তাকে এর আগে দুইবার পুলিশ বাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। সর্বশেষ গত বছর তিনি পুলিশ বিভাগে পুনর্বহাল হন। তিন মাস আগে নিরাপত্তার জন্য স্কুলের বাইরে মোতায়েন করা হয়েছিল তাকে। এ ঘটনায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ছাত্রীদের একজন বলেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি স্কুলের গেট থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের ভ্যানে নির্বিচারে গুলি চালায়। এ সময় সব ছাত্র-ছাত্রী ভয় পেয়ে যায় এবং চিৎকার করতে শুরু করে। এরপরেই সেখানে আশপাশের লোকজন জড়ো হতে শুরু করে।
