কুরআনের নূর প্রতিযোগিতার সমাপনী

‘দেশের হাফেজদের কণ্ঠ বিশে্ব ছড়িয়ে পড়ুক’

আপডেট : ২২ মে ২০২৩, ০৬:৫৭ এএম

হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ‘কুরআনের নূর’ প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ঢাকা উত্তরের মারকাজুল ফয়জুল কোরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হাফেজ নুরুদ্দীন মোহাম্মদ জাকারিয়া। পুরস্কার হিসেবে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ১০ লাখ টাকা।

গত শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান ও ইসলামিক সম্মেলন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের নগদ অর্থ ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ মুসল্লি কমিটির এ আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করে দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।

প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় বিজয়ী ঢাকা উত্তরের মো. শাহরিয়ার নাফিস সালমান পেয়েছে সাত লাখ টাকা। তৃতীয় কুমিল্লার শামসুল উলুম তাহফিজুল হিফজ কোরআন মাদ্রাসার মো. মোশাররফ হোসাইন পেয়েছে পাঁচ লাখ টাকা। চতুর্থ ও পঞ্চম হয়েছে ঢাকা দক্ষিণের মারকাজুত তাহফিজ মাদ্রাসার মো. ইসরুল্লাহ আনাছ ও মোহাম্মদ বশীর আহমদ। পুরস্কার হিসেবে তারা পেয়েছে দুই লাখ টাকা করে।

সেরা আটের বাকি তিনজন ময়মনসিংহের মো. লাবিব আল হাসান, সিলেটের মো. আবু তালহা আনহার ও ঢাকা দক্ষিণের আবদুল্লাহ আল মারুফ পেয়েছে এক লাখ টাকা করে। পরবর্তী সময়ে তারা বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে মা-বাবাসহ পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবে। প্রতিযোগিতার নবম থেকে ৪৫তম স্থান অধিকারীরাও পেয়েছে আর্থিক সম্মাননা।

সমাপনী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের হাফেজদের কণ্ঠ যাতে সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে, বসুন্ধরা গ্রুপ সেই উদ্যোগ নেবে। তিনি প্রতি বছর এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের পাশাপাশি আটজন থেকে বাড়িয়ে ১৫ জনকে পুরস্কৃত করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সায়্যিদ মুফতি আফফান মানসুরপুরী বলেন, ‘সৌদি, দুবাইয়ের মতো বাংলাদেশেও কোরআনের হাফেজদের নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান হচ্ছে। এর কারণ হলো বসুন্ধরা গ্রুপের মতো খাদেমে কোরআন এ দেশে রয়েছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ মুসল্লি কমিটির প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর। তিনি বলেন, ‘ইসলামের আদর্শ এবং পবিত্র কোরআনের বাণী বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব।’

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন বলেন, ‘কোরআনকে যারা মর্যাদা করেছেন আল্লাহ যেন তাদের কেয়ামতের দিন আরশের আশপাশের জায়গায় রাখেন।’ বিজ্ঞপ্তি

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত