বীকন ফার্মাসিউটিক্যালসে অঙ্গদান বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট : ২৯ মে ২০২৩, ০৬:২৯ পিএম

বীকন ফার্মাসিউটিক্যালসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে জীবিত ও মরণোত্তর অঙ্গদান বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে “নতুন জীবন” নামে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মরণশীল জীবনের পরও অন্যের দেহে নিজেকে নতুন জীবন দানের এক প্রয়াস 'নতুন জীবন'।

২৮ মে বীকন ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও মূল আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেশ বরেণ্য কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশিদ।

কর্মশালায় বক্তারা অঙ্গ প্রতঙ্গ দান করার প্রয়োজনীয়তা এবং অঙ্গদানের এর জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি কে হতে পারে সে সম্পর্কে আলোকপাত করেন।

জীবিত অবস্থায় রক্ত সম্পর্কিত নিকট আত্মীয় যেমন– মা-বাবা,ভাই -বোন, আপন মামা, চাচা, খালা, ফুফু, স্বামী- স্ত্রীকে কিডনি দান করতে পারবেন। এছাড়া চাচাতো ভাই ও বোন, মামাতো ভাই ও বোন, ফুফাতো ভাই ও বোন, খালাতো ভাই ও বোন এমনকি দাদা-দাদি, নানা-নানি অঙ্গ দান করতে পারবেন।

মৃত্যুর পর যেকোনো ব্যক্তি আত্মীয় অথবা অনাত্মীয় সবাই অঙ্গ দান করতে পারবেন। একটি মৃতদেহের অঙ্গ প্রতিস্থাপন করে ৯ জন মানুষের জীবন বাঁচানো যেতে পারে। মৃতদেহের ২টি কিডনি, ১ টি হৃদপিণ্ড, ১টি লিভার ও ফুসফুসসহ মোট ৮টি অঙ্গ দান করা যায়। এর বাইরে চোখ বা কর্নিয়ার টিস্যুসহ অন্যান্য অঙ্গের টিস্যু দান করা যায়। সেই লক্ষে সামাজিক আন্দোলন ও ধর্মীয় সচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত প্রদান করেন এবং এই আন্দলোলনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত