বাঁশখালীর পাওয়ার প্ল্যান্টের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

আপডেট : ১০ জুন ২০২৩, ০৫:৪৫ এএম

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গন্ডামারায় অবস্থিত ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে জাতীয় গ্রিডে চারদিন বিদ্যুৎ সরবরাহের পর বৃহস্পতিবার রাত থেকে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কয়লার সংকটের কারণে এ উৎপাদন বন্ধ হয় বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টের উপ প্রকল্প পরিচালক (ইলেকট্রিক্যাল) প্রকৌশলী মো. ফয়জুর রহমান। প্রকৌশলী আরও বলেন, এ প্রকল্প থেকে বিগত চারদিন যাবৎ গড়ে ৩০০-৩৫০ মেগাওয়াটের ওপরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছি। বৃহস্পতিবার রাতে কয়লা সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ ঃকরতে বাধ্য হই।

আগামী ২০ জুনের আগে আবার উৎপাদনে যেতে পারব কি না জানি না বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। চলতি মাসে এ প্রকল্পের জন্য কয়লা আসবে, তখন পুনরায় চালু করা হবে বলে সূত্রে জানা যায়।

চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি বাঁশখালীর ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টটি জাতীয় গ্রিডের ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনের সঙ্গে যুক্ত হয়। এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টের কর্মকর্তারা জানান, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প হলেও সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির কারণে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা নেই। এই প্রযুক্তিতে কম কয়লা পুড়িয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে।

এদিকে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশের সর্ববৃহৎ ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প (এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট) পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই এলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম। এরপর গত ২৪ মে থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ ও চীনের সেপকো থ্রির মালিকাধীন বাঁশখালীর গ-ামারায় ১৩২০ মেগাওয়াট এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টের ১ নম্বর ইউনিটের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক সরবরাহ শুরু করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় এই বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও এসএস পাওয়ারের মধ্যে চুক্তি সই হয়। চুক্তিতে বলা হয়, ২৫ বছর ধরে পিডিবি এই কেন্দ্রে উৎপাদিত সব বিদ্যুৎ কিনবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত