দুই চিকিৎসকের মুক্তি চায় বিএমএ ও বিপিএমপিএ

আপডেট : ১৮ জুন ২০২৩, ০৬:১৪ এএম

রাজধানীর গ্রিন রোড সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও কর্র্তৃপক্ষের প্রতারণার অভিযোগে হাসপাতালের ডা. মুফতার শিদা শাহজাদী ও ডা. মুনা সাহাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও বেসরকারি চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমপিএ)। পৃথক বিবৃতিতে সংগঠন দুটি দুই চিকিৎসকের মুক্তি চেয়েছে।

গতকাল শনিবার এক বিবৃতে বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে দুজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করায় নিন্দা জানিয়েছেন।

একইভাবে পৃথক আরেক বিবৃতিতে বিপিএমপিএ সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া ও মহাসচিব ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এভাবে চিকিৎসকদের গ্রেপ্তার করতে থাকলে তারা চিকিৎসাসেবা দিতে নিরুৎসাহিত হবেন এবং তাতে চিকিৎসাব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে আইন প্রয়োগের অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও কর্র্তৃপক্ষের প্রতারণায় মাহবুবা রহমান আঁখি নামে এক প্রসূতি মৃত্যুঝুঁকিতে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেন তার স্বামী ইয়াকুব আলী সুমন। তিনি দাবি করেন, হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষের অবহেলায় তাদের নবজাতক মারা গেছে। এ ঘটনায় গত বুধবার রাজধানীর ধানম-ি থানায় ‘অবহেলাজনিত মৃত্যু’র অভিযোগ এনে একটি মামলা করেন ইয়াকুব আলী। মামলায় ডা. মুফতার শিদা শাহজাদী, ডা. মুনা সাহা, ডা. মিলি, সহকারী জমির, এহসান ও হাসপাতালের ম্যানেজার পারভেজকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে। মামলার পর ১৫ জুন রাতে ডা. শাহজাদী ও ডা. মুনা সাহাকে হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরে গত শুক্রবার আইসিইউ ও জরুরি সেবার মান ‘সন্তোষজনক না হওয়ায়’ সেন্ট্রাল হাসপাতালে সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে হাসপাতালের গাইনি ও প্রসূতি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সংযুক্তা সাহা ওই হাসপাতালে আপাতত কোনো বিশেষজ্ঞ সেবা দিতে পারবেন না বলেও জানায় অধিদপ্তর।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত