চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আবারও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস সেবা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে বকেয়া টাকা পাওনা এবং কাঁচামাল সংকটের কারণ দেখিয়ে আজ বৃহস্পতিবার থেকে এ সেবা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে স্যান্ডর ডায়ালাইসিস সার্ভিস বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড কর্র্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার স্যান্ডর কর্র্তৃপক্ষের এক নোটিসে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
নোটিসে বলা হয়, ‘বৃহস্পতিবার (২২ জুন) থেকে ডায়ালাইসিস সার্ভিসসংক্রান্ত সব কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তেরর পরিচালক (অর্থ) কর্র্তৃক বকেয়া টাকা পরিশোধে বারবার বিলম্ব এবং অসহযোগিতার কারণে হঠাৎ করে চরম এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। চলমান সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সব কিডনি রোগীকে বিকল্প ব্যবস্থা রাখার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা হলো।’
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে স্যান্ডরের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) নাজমুল আহসানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও সাড়া মেলেনি। তবে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শামীম আহসান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার থেকে ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধের ঘোষণা দিয়ে নোটিস দিয়েছে স্যান্ডর কর্র্তৃপক্ষ। বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।’
জানা গেছে, চমেক হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষের সুপারিশ করা দরিদ্র রোগীদের প্রতি সেশনে ৪৮৬ টাকা ব্যয়ে ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়া হতো এবং সরকার প্রতি সেশনে রোগীদের জন্য ২ হাজার ১৮০ টাকা করে ভর্তুকি দিয়ে আসছিল। স্যান্ডরের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বছর ডায়ালাইসিস ফি ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পায়।
