এবারও লোকসানের শঙ্কায় আছেন মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা। কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার ন্যায্য দাম না পাওয়া নিয়ে অভিযোগ করছেন তারা। অন্যদিকে ট্যানারি মালিক ও আড়তদাররা বলছেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামেই তারা কাঁচা চামড়া কিনছেন।
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি বাড়ি ঘুরে চামড়া সংগ্রহ করেন। তবে তারা অভিযোগ করছেন, যে দামে তারা চামড়া সংগ্রহ করছেন সে দামেও তা কিনছেন না লালবাগ পোস্তার কাঁচা চামড়ার আড়তদার ও ট্যানারি মালিকরা।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, কাঁচা চামড়ার দাম নিয়ে অভিযোগ থাকলেও লবণ দেওয়া চামড়া কেনা বেচা হবে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে। বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় এ বছর ৫ থেকে ১০ শতাংশ চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও করছেন তারা।
এ বছর বড় আকারের গরুর কাঁচা চামড়া বিক্রি হচ্ছে ৮৫০- ১১০০ টাকায়, মাঝারি ৬০০-৭০০ টাকা এবং ছোট গরুর চামড়া ৩০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নর্দা এলাকার মৌসুমি চামড়া বিক্রেতা আকবর আলী। তিনি ৫৫০টি চামড়া সংগ্রহ করে সায়েন্সল্যাব এলাকায় বিক্রি করতে এনেছিলেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ তিনি।
এদিকে কাঁচা চামড়ার বর্তমান দামকে প্রকৃত বাজার দর বলতে নারাজ ট্যানারি মালিকরা। তাদের পাল্টা অভিযোগ, সায়েন্সল্যাব, লালবাগ পোস্তাসহ রাজধানীতে বসা অস্থায়ী চামড়া বাজারে কেনা বেচা করতে দিচ্ছে না প্রশাসন।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ বলেন, বৈরী আবহাওয়ায় এ বছর ৫ থেকে ১০ শতাংশ চামড়া নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তারপরও সঠিক দাম দিয়ে চামড়া কেনা হচ্ছে।
