ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, এই নির্বাচনে পুলিশের শতভাগ নিরপেক্ষতা না থাকলে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নাকে খত দিয়ে চলে যাব।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি দেখি। সব এলাকার জন্য সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। আমরা বিবেচনা করব কোথায় ঝুঁকি বেশি ও কোথায় ঝুঁকি কম। সে হিসেবে ফোর্স মোতায়েন কোথাও কমবেশি হবে। ঢাকায় উপনির্বাচন নিয়ে কমিশন যে নির্দেশনা দিয়েছে, সুষ্ঠু ভোটে যা যা করণীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ডিএমপির সক্ষমতা রয়েছে। ঢাকার উপনির্বাচনে মোতায়েনের জন্য আমাদের যথেষ্ট ফোর্স রয়েছে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। ইসির চাহিদা মোতাবেক অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে যা যা করণীয় সব ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইসি যে ধরনের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে চাচ্ছে সে ধরনের সহযোগিতা পুলিশের তরফ থেকে সব সময় থাকবে।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ভোট কেমন হবে তা নির্ভর করে জনগণ ও প্রিসাইডিং অফিসারের ওপর। আমাদের কাজ হলো কেন্দ্রের পুরো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। যাতে ভোটাররা নির্বিঘেœ ভোট দিতে পারেন। নিরপেক্ষতা প্রমাণে পুলিশের শতভাগ উদ্যোগ থাকবে।
গোলাম ফারুক বলেন, আমাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণের জায়গা শতভাগ থাকবে। কারা বিশ্বাস করে না? আমি শতভাগ গ্যারান্টি দিলাম। ১৭ জুলাইয়ের নির্বাচন দেখেন, আমাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ পান কি না। যদি (নিরপেক্ষতা) না পান তখন বলবেন। আমি ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নাকে খত দিয়ে চলে যাব।
ইসি সচিব জাহাংগীর আলম বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচন রয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকায় আরও ৭৫টি ভোট রয়েছে ১৭ জুলাই। ঢাকা-১৭ উপনির্বাচনে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপারের মাধ্যমে প্রথম ভোট হচ্ছে। আমাদের বার্তা একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন করা। পুলিশ প্রশাসনের প্রতি শতভাগ আস্থা রয়েছে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী সুষ্ঠু ভোটের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
