ভারতে কাঁচা মরিচের দাম বাড়ায় দেশে কমছে না

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৩, ০৬:০৭ এএম

দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্যটির আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবারও সাতটি ট্রাকে ৫৭ টন ২৪৭ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে দাম খুব একটা কমছে না।

হিলি স্থলবন্দর বন্দরের ‘সততা বাণিজ্যালয়’, ‘সম্পা ট্রেডাসর্’ ও ‘বিকে ট্রেডার্স’ নামের তিনটি প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে এই কাঁচা মরিচ আমদানি করেছে। সরবরাহ বাড়ায় গতকাল শুক্রবার হিলি বাজারে দেশীয় কাঁচা মরিচের দাম কমেছে কেজিতে ৪০ টাকা। ৩০০ টাকার মরিচ মিলছে ২৬০ টাকায়।

হিলি স্থলবন্দরের কাঁচা মরিচ আমদানিকারক মেসার্স সম্পা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ইদ্রিস আলী বলেন, ‘গত ২৬ জুন থেকেই মরিচ আমদানি শুরু করেছি। তবে আমদানি পর্যায়ে মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি করে লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে। ভারতের বাজারেই কাঁচা মরিচের দাম বাড়তি। ফলে দেশের বাজারে পণ্যটির দাম খুব একটা কমছে না।’

হিলি বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা আলম হোসেন বলেন, ‘বাজারে প্রায় প্রতিদিনই কাঁচা মরিচের দাম উঠানামা করছে, একদিন কমছে তো দুদিন বাড়ছে। গতকাল যে মরিচ ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল আজ তা ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তারপরেও এখনো যে কাঁচা মরিচের দাম তাতে করে আমাদের সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নেই।

কাঁচা মরিচ বিক্রেতা বিপ্লব শেখ বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ স্থানীয় বাজারে আসে না। এতে দেশীয় কাঁচা মরিচ দিয়েই স্থানীয় মানুষের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। আমরা পার্শ্ববর্তী পাঁচবিবি হাট থেকে কাঁচা মরিচ কিনে এনে হিলিতে বিক্রি করছি। গতকাল যে মরিচ আমরা ২৮০ টাকা ক্রয় করে পরিবহন খরচসহ লাভ মিলিয়ে ৩০০ টাকা বিক্রি করেছি। আজ সেই কাঁচা মরিচ আমরা হাটে ২৪০ টাকা কিনেছি খরচ হিসেব করে ২৬০ টাকা বিক্রি করছি। সরবরাহের কমবেশির কারণে প্রতিদিনই দাম উঠানামা করছে। 

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ঈদের ছুটির পর গত বুধবার থেকে আবারও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এদিন চারটি ট্রাকে ২৯ হাজার ৬৮০ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে সাতটি ট্রাকে ৫৭ হাজার ২৪৭ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। তবে আজ শুক্রবার ছুটির কারণে বন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত