নয় বছর আগে অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে থাইল্যান্ডের ক্ষমতায় বসেন জেনারেল প্রায়ুথ চান-ওচা। থাই রাজতন্ত্রের কট্টর সমর্থক এই নেতার জোট সাম্প্রতিক নির্বাচনে খুব কম আসনে জেতে। নির্বাচনের দুই মাস পর হঠাৎ রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন প্রায়ুথ। লিখেছেন তৃষা বড়ুয়া
অবসরের ঘোষণা
প্রায়ুথ চান-ওচা। থাইল্যান্ডের ২৯তম প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক সেনাপ্রধান। নয় বছর আগে ২০১৪ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন জেনারেল প্রায়ুথ। থাই প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জানিয়েছেন, রাজনীতি থেকে অবসর নিতে যাচ্ছেন তিনি। চলতি বছরের মে মাসে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ইউনাইটেড থাই নেশন নামে নতুন রক্ষণশীল এক রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য লড়েছিলেন প্রায়ুথ। নির্বাচনে দলটি ভালো করেনি। পার্লামেন্টের ৫০০ আসনের মধ্যে মাত্র ৩৬টি আসনে জয় পায় ইউনাইটেড থাই নেশন। নির্বাচনে এভাবে পরাজিত হওয়ার মাসখানেক পরই রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন প্রায়ুথ। ২০১৪ সালে দেশে সুনিপুণভাবে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসেছিলেন তিনি। স্পষ্টভাষী ও রাজতন্ত্রের কট্টর সমর্থক হিসেবে তিনি সুপরিচিত। ক্ষমতা দখলের পর প্রায়ুথ অঙ্গীকার করে বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদ বেশিদিন স্থায়ী হবে না। কিন্তু সেটা যে নয় বছরে গড়াবে, তা হয়তো অনেকে ধারণা করেননি। এই নয় বছরে থাইল্যান্ডের ক্ষমতা কাঠামো নতুন করে ঢেলে সাজান প্রায়ুথ। তার নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকার ২০১৭ সালে সংবিধানে পরিবর্তন আনে। যাতে বলা হয়, অভ্যুত্থানের নেতারা চাইলে দেশ পরিচালনায় তাদের প্রভাবের বিস্তার ঘটাতে পারে। এই প্রভাব বিস্তারের একটি উদাহরণ হচ্ছে, থাই পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের ২৫০ সদস্যকে দেশটির সেনাবাহিনী কর্র্তৃক নিয়োগ। থাইল্যান্ডের একজন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীকে অবশ্যই পার্লামেন্টের উচ্চ ও নিম্ন দুটো কক্ষেরই সম্মিলিত ভোটে জিততে হয়, যার অর্থ ৭৫০ সদস্যের (৫০০ এমপি ও ২৫০ সিনেটর) মধ্যে কমপক্ষে ৩৭৬ জনের সমর্থনের দরকার হয় ওই প্রার্থীর। বলা বাহুল্য, জেনারেল প্রায়ুথের মতো রক্ষণশীল রাজতন্ত্রের সমর্থকদের নিয়েই থাইল্যান্ডের সিনেট গঠিত। দেশটির সাম্প্রতিক নির্বাচনে জয় পাওয়া সংস্কারপন্থিদের জোটকে ক্ষমতায় বসতে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা এই সিনেটের আছে।
প্রায়ুথের শাসন
জেনারেল প্রায়ুথ একরোখা ও কঠোর স্বভাবের নেতা। ক্ষমতা দখলের পর শুরুর দিকে তার কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ক্ষেপে যেতেন তিনি। একবার মজা করে তাদের প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। সংগীতের প্রতি তার অসীম প্রেম। গান রচনা করতে ভালোবাসেন। তার গান জনগণের মুখে হাসি ফোটাবে, তাদের সুখী করবে এমনটা বিশ্বাস করতেন তিনি। ক্ষমতায় বসার পর তাই তিনি বেশ কয়েকটি গান রচনা করেন। দুঃখের বিষয়, তার গান শুনে থাই জনগণের মুখে হাসি ফোটেনি। তাদের সমস্যার সমাধান হয়নি। এতে প্রায়ুথ যারপরনাই ব্যথিত হন, হতাশ হন। এসব অনুভূতি তাকে অবশ্য গোপন করতেও দেখা যায়নি। থাইল্যান্ডে প্রায়ুথের স্বৈরশাসনের ধরন তুলনামূলকভাবে সহনীয় বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়। আসলেই সহনীয় কি না, তা বোঝা যায় ভিন্নমতাবলম্বীদের বিষয় এলে। ভিন্নমতাবলম্বীদের ক্ষেত্রে প্রায়ুথ সরকার কী পরিমাণ অসহিষ্ণু, তা বিভিন্ন সময়ে প্রত্যক্ষ করেছে বিশ্ব। হাজার হাজার জনগণ যারা ক্ষমতাকে প্রশ্ন করে, তাদের নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হতে হয়, জাতীয় নিরাপত্তা আইনের দোহাই দিয়ে তাদের জেলে পোরা হয়। প্রায়ুথের নেতৃত্বাধীন সরকার সবচেয়ে বেশি প্রয়োগ করে দেশটির বিতর্কিত লেসে মেজিস্ট আইন। যারা থাইল্যান্ডের রাজতন্ত্রকে প্রশ্ন করেন, তাদের বিরুদ্ধে এই আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ বয়স্ক থাই জনগণের মধ্যে জনপ্রিয় হলেও তরুণদের মধ্যে তিনি মোটেও জনপ্রিয় নন। এদের সংখ্যা থাইল্যান্ডে কম নয়। দেশটির সামরিক শাসনের বিরোধিতাকারী এই তরুণদের হাত ধরে সম্প্রতি বড় ধরনের পরিবর্তন দেখে থাই জনগণ। তরুণ নেতা পিটা লিমজারোয়েনরাত নেতৃত্বাধীন সংস্কারপন্থি নতুন দল মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি সাম্প্রতিক নির্বাচনে ৫০০ আসনের মধ্যে ১৫২টিতে জেতে। থাই তরুণদের বড় অংশ এবার মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে ভোট দেন। তাদের ভোট দিয়ে সেনাসমর্থিত সরকারকে শক্তিশালী বার্তা দেন তরুণরা। তাদের বার্তা হলো তোমরা দেশ শাসন করো, তা আমরা আর চাই না। অবশ্য কেবল তরুণরা মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে ভোট দিয়েছিল, তা নয়। নির্বাচনের ফলে দেখা গেছে, তরুণদের বাইরেও এই দল ব্যাপক জনপ্রিয়। উদাহরণ হিসেবে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের কথা বলা যায়। এই শহর রক্ষণশীল দলগুলোর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু নির্বাচনের ফল জানায়, সেখানকার ৩৩টি আসনের মধ্যে ৩২টি আসনে জয় পায় মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি। এ বিষয়ে লোয়ি ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া কর্মসূচির পরিচালক প্যাটন বলেন, ‘এর মাধ্যমে বোঝা যায়, শহরাঞ্চলে বাস করা মানুষ এক দশক ধরে সেনাবাহিনী প্রদত্ত সরকারের ওপর কী পরিমাণ বীতশ্রদ্ধ। তারা এবার ভিন্ন কোনো দলকে ভোট দিতে চেয়েছে। মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে এখন কেবল তরুণদের দল বলা ঠিক হবে না। এটি তিন বছরে তরুণদের বাইরে বয়স্কদেরও সমর্থন আদায়ে সক্ষম হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ তার প্রশাসনের দুর্নীতি দমনে ব্যর্থ। পাশাপাশি দেশের ধীরগতির অর্থনীতি বেগবান করতেও তিনি পারেননি। থাই জনগণের বড় অংশই মনে করে, প্রায়ুথের কর্র্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান হওয়া উচিত। রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ বন্ধ হওয়া উচিত। এ কারণে এবারের নির্বাচনে তারা নতুন দল মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে ভোট দেন।
উত্থান
১৯৫৪ সালের ২১ মার্চ থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য নাখোন রাচাসিমায় এক সামরিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্রায়ুথ। মাধ্যমিক পাস করার পর তাকে আর্মড ফোর্সেস অ্যাকাডেমিজ প্রিপারেটরি স্কুলে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে তিনি চুলাচোমকলাও রয়্যাল মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে যোগ দেন। রাজপরিবারের কড়া সমর্থক প্রায়ুথ ২১তম পদাতিক বাহিনীতে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। এই বাহিনী দ্বিতীয় পদাতিক ডিভিশনের অধীনে রানীর গার্ড নামেও পরিচিত। ২০০৩ সালের অক্টোবর মাসে রয়্যাল গার্ডের দ্বিতীয় পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডার হন প্রায়ুথ। এরপর ২০০৬ সালে থাইল্যান্ডে অভ্যুত্থান চলাকালে তাকে কমান্ডার অব দ্য ফার্স্ট আর্মি এরিয়া হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ওই অভ্যুত্থান ঘটানো হয়েছিল। ওই সময় থাইল্যান্ডের সেনাপ্রধান ছিলেন জেনারেল আনুফং ফাওচিন্দা। তার প্রতি প্রায়ুথ ব্যাপক অনুগত ছিলেন। তাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হতে বেশি সময় লাগেনি। প্রায়ুথ ও ফাওচিন্দা ইস্টার্ন টাইগার্স নামে একটি সামরিক নেতাদের দল গঠন করেন। ২০০৯ সালের অক্টোবরে থাইল্যান্ড সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পান প্রায়ুথ। দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থকদের নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনায় প্রায়ুথ জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ আছে। ২০১০ সালে সিনাওয়াত্রার সমর্থকরা এক মাসের বেশি সময় ধরে থাইল্যান্ডের ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছিলেন। ২০১০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ফাওচিন্দার স্থলাভিষিক্ত হন প্রায়ুথ। সেনাপ্রধান হওয়ার পরপরই তিনি ঘোষণা দেন ‘আমি ভাই আনুফং ফাওচিন্দার চাইতেও কঠোর।’ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর প্রায়ুথ মনে করতেন, দেশের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। কিন্তু নিজে সেনাপ্রধান হওয়ার পর এই অবস্থান থেকে সরে আসেন তিনি। ২০১১ সালের জুনে তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যাতে নির্বাচনে ‘ভালো মানুষদের’ ভোট দেয়। থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার বোন ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে ভোট না দেওয়ার জন্য তৎকালীন সেনাপ্রধান প্রায়ুথ ওই আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এর মধ্য দিয়ে এক সময় রাজনীতিতে হস্তক্ষেপে অনিচ্ছুক প্রায়ুথ নিজেকে রাজনীতিতে জড়ান। এরপর ইংলাক সিনাওয়াত্রা ও বিরোধী দলের মধ্যে ছয় মাস দীর্ঘ রাজনৈতিক সংঘাতের সুযোগ নেন প্রায়ুথ এবং ২০১৪ সালের ২২ মে তিনি অভ্যুত্থানের ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময় সামরিক প্রশাসন, যা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর পিস অ্যান্ড অর্ডার (এনসিপিও) নামে পরিচিত তারা সংবিধান স্থগিত করে এবং ওই বছরের ২১ আগস্ট প্রায়ুথকে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
ইমেজ পরিবর্তন
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রায়ুথ অন্তর্বর্তী সংবিধান প্রণয়ন করেন, যা সামরিক সরকারকে জবাবদিহিতাহীন ক্ষমতা দেয়। সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়, সরকারের বিরোধিতা করা হচ্ছে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডকে আইনশৃঙ্খলা, জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হবে এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই সময় নাগরিক স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যম ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এসব পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ নিজের ইমেজ পরিবর্তনেও মনোনিবেশ করেন। মঙ্গলকামী ও উপকারী নেতা হিসেবে নিজেকে জনগণের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেন তিনি। প্রায়ুথ সে সময় ‘রিটার্ন হ্যাপিনেস টু থাইল্যান্ড’ শিরোনামে একটি গানও লেখেন। গানটিতে একটি লাইন ছিল এমন- ‘আমরা যা অঙ্গীকার করেছি, তা আমরা পূরণ করব... আমরা আরেকটু সময় চাইছি।’ এই গান সারাদিন রেডিও আর টেলিভিশনে বাজানো হতো। ‘হিজ নেইম ইজ টু’ নামে প্রায়ুথের এক আত্মজীবনীও প্রকাশ করে দ্য নেশন বুকস। বইটিতে নেতা হিসেবে প্রায়ুথের যাত্রা তুলে ধরার পাশাপাশি তার কর্র্তৃত্ববাদী শাসনের ইতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ ছাড়া প্রতি শুক্রবার টেলিভিশন প্রোগ্রাম ‘দ্য কিংস নলেজ ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টে’ হাজির হতেন প্রায়ুথ। সেখানে তিনি থাইল্যান্ডের প্রয়াত রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজের দেখানো পথে সামরিক সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রচার করতেন। নিজেকে টেলিভিশনের পর্দায় এভাবে হাজির করলেও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের জন্য বিতর্কিত ছিলেন প্রায়ুথ। মাঝে মধ্যে তাকে সাংবাদিকদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করতে দেখা যেত। অবশ্য ২০১৯ সালে সাধারণ নির্বাচন যত এগিয়ে আসতে থাকে, তার দলকে তত বেশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হতে দেখা যায়।
২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড থাই নেশনে যোগ দেন প্রায়ুথ। এই দলের প্রার্থী হয়ে এ বছরের ১৪ মে নির্বাচনে দাঁড়ান তিনি। মাত্র ১৫ শতাংশ আসনে জয় পায় প্রায়ুথের জোট। অন্যদিকে তরুণদের দল মাত্র তিন বছর বয়সী মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর মুভ ফরোয়ার্ড পার্টির নেতা ৪২ বছর বয়সী পিটা লিমজারোয়েনরাত সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমাদের দেশ পরিবর্তনের পথে। আমার দলকে মানুষ যে পরিমাণ ভোট দিয়েছে, তাতে স্পষ্ট তারা পরিবর্তন চায়। তারা তাদের এই চাওয়া ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়েছে।’ এর প্রায় দুই মাস পর ১১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। শুধু তাই নয়, ইউনাইটেড থাই নেশনের সদস্যপদ থেকেও অবসরের ঘোষণা দেন তিনি। তবে যদ্দিন পর্যন্ত না থাইল্যান্ডে নতুন সরকার গঠন করা হচ্ছে, ততদিন তিনি দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন।
