রাস্তায় বৃষ্টির পানি জমায় মারামারি, হাসপাতালে ৮

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৩, ০২:০৬ এএম

কুমিল্লার মুরাদনগরে বসতবাড়ি থেকে সড়কে ওঠার রাস্তায় বৃষ্টির পানি জমাটকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর জখমের দুপক্ষের ৮ জনকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে।

গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের খৈয়াখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন খৈয়াখালী গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে আমির হোসেন ও তার প্রবাসী দুই ছেলে সাদ্দাম হোসেন, রাব্বুল হাসান এবং একই পরিবারের সাজু মিয়ার ছেলে নাসির মিয়া, জাবেদ মিয়া, খায়ের মিয়া, হাসান মিয়া ও আনিস মিয়ার ছেলে আরিফ মিয়া।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, খৈয়াখালী গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে আমির হোসেন ও তার ভাই সাজু মিয়ার পরিবারের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। যা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বহুবার বসে সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে বসতবাড়ি থেকে সড়কে ওঠার রাস্তায় বৃষ্টির পানি জমাটকে কেন্দ্র করে পাশর্^বর্তী মোসলেম মিয়ার দোকানে আমির হোসেনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন ও সাজু মিয়ার ছেলে হাসানের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে রাত ৮টার দিকে সাজু মিয়ার পরিবারের অন্য সদস্যরা আমির হোসেনের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। এতে আমির হোসেন গুরুতর জখম হলে তার প্রবাসী দুই ছেলে প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মারামারির ঘটনায় ৮ জন আহত হন।

আহত প্রবাসী সাদ্দাম হোসেন জানান, প্রবাসে গিয়ে অর্থনৈতিকভাবে তাদের পরিবার স্বাবলম্বী হওয়ার বিষয়টি তার বাবার বড় ভাই সাজু মিয়ার পরিবারের সদস্যরা ভালো চোখে দেখে না। সে কারণেই তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সামান্য বৃষ্টির পানিকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা চালায় এবং লুটপাট করে। বসতবাড়ির ঘরগুলোকে এমনভাবে কুপিয়েছে সেটি এখন থাকার উপযোগী নয়।

অপরদিকে আহত নাসির মিয়া জানায়, বসতবাড়ি থেকে সড়কে উঠতে যে রাস্তাটি ব্যবহার করতে হয় সেটি আমির হোসেনের পরিবারের লাগে না। তাই সেই রাস্তায় জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ও সেখানে মাটি ফেলে উঁচু করার জন্য আমির হোসেনের পরিবারের কাছে টাকা চাওয়ায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে মারামারির বিষয়টি অবহিত হয়েছি। বর্তমানে সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত