চোটের কারণে এশিয়া কাপ খেলতে পারছেন না তামিম ইকবাল। বাঁহাতি এই অভিজ্ঞ ওপেনারের ওভাব পূরণে তরুণ এক ব্যাটারের ওপর আস্থা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। যার নামও তামিম- তানজিদ হাসান তামিম।
জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার প্রথমবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এলেন ২০২০ যুব বিশ্বকাপজয়ী তামিম। এ সময় বাঁহাতি এই ওপেনার বললেন, ছোটবেলা থেকেই তামিম ইকবালকে আইডল মেনে বড় হয়েছেন। সেই আইডলের জায়গায় ডাক পেয়ে রোমাঞ্চিত তিনি। লক্ষ্য এখন জায়গাটা ধরে রাখা। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন চাপহীন থেকে খেলে যেতে চান তিনি।
জাতীয় দলে ডাক পাওয়া প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তামিম বলেন, ‘আলহামদুল্লিলাহ, জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছি। সেটাও এশিয়া কাপের মতো একটা মঞ্চে... উপভোগ করছি অনেক।’
তাকে ডাকা হয়েছে তামিম ইকবালের জায়গায়। বিষয়টি মনে করিয়ে দিতেই বললেন, ‘অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ (যে জায়গায় সুযোগ পাওয়া) আছে। শুধু আমার জায়গা না, প্রত্যেকের জায়গাটাই গুরুত্বপূর্ণ। আর আমি মনে করি তামিম ভাইয়ের যে কথাটা বললেন, উনি সবার জন্য আইডল। ওনাকে দেখে ছোট থেকে বড় হয়েছি আমি। তো চেষ্টা করব, নিজের সেরাটা দেওয়ার, জায়গাটা ধরে রাখার।’
তামিমের জায়গায় সুযোগ পাওয়াকে চাপ হিসেবে নিতে চান না ‘জুনিয়র’ তামিম, ‘ক্রিকেট খেলাটাই প্রেসারের। জিনিসটা যত তাড়াতাড়ি হ্যান্ডল করতে পারব, তত তাড়াতাড়ি আমরা বেটার ক্রিকেট খেলতে পারব।’
তামিম তাই চান নিজের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলে যেতে, ‘জাতীয় দলে আসার পর কোচ একবার বলছে, তুমি এতো দিন যে ভাবে খেলে আসছ, তোমার ন্যাচারাল খেলাটাই খেলবে।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেরা সেরা বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে খেলতে হবে। এনিয়েও ভাবতে চান না জুনিয়র তামিম, ‘আমি এটা নিয়ে চিন্তা করছি না। কোন বোলার বল করবে, জিনিসটা নিয়ে আমি চিন্তিত না। আমি শুধু চেষ্টা করি বল দেখে খেলার।’
সবার আগে শরীফুল ইসলাম, এরপর ২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের মাহমুদুল হাসান, শামীম হোসেন, পারভেজ হোসেন ও তাওহিদ হৃদয় জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। সর্বশেষ সদস্য তামিম। দেশকে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সাফল্য এনে দেওয়া এই তরুণেরা এখন বড়দের বিশ্বকাপ জিততে চান। তামিম বললেন, ‘আমরা যেটা অর্জন করছি, সেটা তো এখন অতীত। সবার মধ্যে এখন একটাই কথা, একটা স্বপ্ন যে বড়দের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা। সবারই যখন দেখা হয়, সামনে যেহেতু বিশ্বকাপ, একটা জিনিসই মাথায় কাজ করে, আমরা এশিয়া কাপ যত টুর্নামেন্টই খেলি না কেন, ব্যাক অব দ্য মাইন্ডে কিন্তু ওয়ার্ল্ড কাপ থেকেই যায়। ইনশা আল্লাহ চেষ্টা করব এবার। যদি কপালে থাকে, ইনশা আল্লাহ হয়ে যাবে।’
