বিভিন্ন স্থানে শোক দিবসের আলোচনা সভা গণভোজ

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৩, ০৬:৩২ এএম

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্যিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা সভা ও গণভোজ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল শুক্রবার মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা পরিষদ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাজাহান খান। একইদিন ঢাকার কেরানীগঞ্জে শোক দিবস উপলক্ষে কালিন্দী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। অন্যদিকে দিনাজপুর প্রেস ক্লাব আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

মাদারীপুরের অনুষ্ঠানে শাজাহান খান বলেন, ‘আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি না এলেও ডিসেম্বর বা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হয়ে যাবে। অনেক বিদেশিরা এসেছেন। তারা কেউ বলেননি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। বিদেশিরা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছেন। তাই আগামী নির্বাচনে বিএনপি যদি অংশগ্রহণ না করে তাহলে তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আঁস্তাকুড়ে নিক্ষেপ হবে।’

কেরানীগঞ্জে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে যুদ্ধ করার জন্য আমেরিকা সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। আমাদের খাদ্যের জাহাজ বঙ্গোপসাগর থেকে ফেরত পাঠিয়েছিল আমেরিকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আমেরিকা কখনো মেনে নেয়নি। তারা সবসময় পাকিস্তানের পক্ষে ছিল। আমেরিকা সবসময়ই বাংলাদেশে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষে কথা বলেছে।’

দিনাজপুরের অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান চালু করার চেষ্টা করেছিলেন। যাদের বাবা সংবিধান পাল্টাতে পারেনি কিন্তু আজ তাদের সন্তানরা বলছে বাংলাদেশের সংবিধান পাল্টে ফেলবে। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষরা কি মরে গেছে? এবিএম মূসা, গাফ্ফার চৌধুরীর উত্তরসূরিরা কি মরে গেছে? মরে যায়নি। এখনো কলম আছে। এখনো কলমের কালি শুকিয়ে যায়নি। এখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গর্জে উঠে। কাজেই দুঃস্বপ্ন দেখার চিন্তাভাবনা বাদ দিতে হবে।’

প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন মাদারীপুর, দিনাজপুর ও কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত