এস আলমের অর্থ বিষয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশে স্থিতাবস্থা

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২৩, ০২:৪১ এএম

এস আলম গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) ও তার স্ত্রী ফারজানা পারভীনের অর্থ বিষয়ে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধানে হাইকোর্টের আদেশে স্থিতাবস্থা দিয়েছে চেম্বার আদালত।

তাদের দুজনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে বিনিয়োগ ও অর্থ স্থানান্তরের বিষয়ে অভিযোগ ওঠে।

তাদের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালত আগামী বছরের ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত হাইকোর্টের আদেশটির ওপর স্থিতাবস্থা দেন। অর্থাৎ এই সময় পর্যন্ত অনুসন্ধান কার্যক্রম চলবে না বলে জানান সাইফুল আলম ও ফারজানা পারভীনের আইনজীবীরা।

গত ৪ আগস্ট ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ৬ আগস্ট বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে অনুসন্ধানের নির্দেশনা চান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। আদালত তার স্বতঃপ্রণোদিত আদেশে এস আলমের নামে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে দেশের বাইরে অর্থ পাঠানো হয়েছিল কি না, অর্থ পাচার হয়েছে কি না সে বিষয়ে জানতে চায়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও সিআইডিকে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়ে রুল দেয় হাইকোর্ট। রুলে অভিযোগ ওঠা অর্থ পাচার রোধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না জানতে চায় হাইকোর্ট। একই সঙ্গে অভিযোগ অনুসন্ধানে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না রুলে তাও জানতে চায় আদালত। দুদক  ও বাংলাদেশ ব্যাংককে বিবাদী হিসেবে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত চেয়ে এস আলম ও তার স্ত্রী চেম্বার আদালতে আবেদন করেন। এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি শুনানিতে আসে। আদালতে এস আলমের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজমালুল হোসেন কেসি, আহসানুল করিম ও সাঈদ আহমেদ রাজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা দেশ রূপান্তরকে বলেন, আগামী ৮ জানুয়ারি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত