দেশে বর্তমানে একদলীয় ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চলছে এবং সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর চেপে ধরার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন যুব ইউনিয়নের নেতারা। তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নাম করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে মানুষের কণ্ঠ রোধ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ধারবাহিকভাবে হামলা-মামলা করে কণ্ঠ রোধ করেছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে মুক্তি ভবনের সামনে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। সমাবেশে যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে যারাই রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল তারা উন্নয়নের সংজ্ঞা পল্টে দিয়েছে। উন্নয়নের নামে লুটপাট করেছে। কারণ তাদের কাজ হচ্ছে উন্নয়নের নাম করে অর্থ হাতানো। দেশের কোটি যুবক বেকার, তাতে কিছু যায় আসে না।
তাদের কাজ হচ্ছে নিজেদের কোষাগার ভর্তি করা। আজকে সময় এসেছে এই রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে বাম গণতান্ত্রিক শক্তিকে জোরদার করা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজও দেশের ১ কোটি ১০ লাখ প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক, ২ কোটি ৩০ লাখ কৃষি শ্রমিক এবং আরও প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ অন্যান্য পেশার শ্রমজীবী মানুষের কারও জন্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক, সামাজিক বা স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত হয়নি। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধিতে জনজীবনের সংকট আরও তীব্রতর হচ্ছে।’ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু বলেন, ‘সরকার যুবকদের কর্মসংস্থান ও মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তথাকথিত উন্নয়নের আওয়াজ দিয়ে সরকার তার ব্যর্থতাকে আড়াল করতে চাইছে।’ এর আগে পল্টন থেকে যুব ইউনিয়নের একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি দৈনিক বাংলা, গুলিস্থানসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
×
