নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন বাতিল চেয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও খালেদা জিয়ার আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। গতকাল সোমবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে আগামীকাল বুধবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাছান চৌধুরী।
অ্যাডভোকেট খুরশীদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শুনানি শেষ হয়েছে। আগামীকাল বুধবার আদেশ হবে।’
গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে নাইকো মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আদেশ দেয় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯। অভিযোগ গঠনের এ আদেশ চ্যালেঞ্জ করে ও মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে গত ১৭ মে হাইকোর্টে আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা। এ আবেদনের ওপর গত ৯ আগস্ট শুনানি শুরু হয়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এ চলমান এই মামলায় ইতিমধ্যে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।
কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের উদ্দেশ্যে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলা হয়। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। মামলার অন্য আসামিরা হলেনÑ সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দীন সিদ্দিকী, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ব্যবসায়ী সেলিম ভূঁইয়া, নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।
