বাংলাদেশের আরএমজি কর্মীদের জীবনমান উন্নত করার জন্য দেশের সর্ববৃহৎ রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন’র সঙ্গে পার্টনারশিপ করেছে ওয়েজলি। এতে করে আরএমজি কর্মীরা তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসমূহ স্বপ্ন থেকে ওয়েজলি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে খুব সহজেই কিনতে পারবেন।
ওয়েজলির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর এলাহী বলেন, ‘একজন আরএমজি কর্মীর মোট মাসিক ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় ও সদাইপাতি ক্রয় বাবদ ব্যয় করে। ওয়েজলি এবং স্বপ্নের এই পার্টনারশিপ আরএমজি কর্মীদের এই চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করতে সক্ষম হবে। ৭৫ টিরও বেশি ফ্যাক্টরি এবং ২ লাখেরও বেশি ওয়েজলি অ্যাপ ব্যবহারকারীদের পরিসেবা দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখি যে, কীভাবে নিত্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্য কর্মীদের ক্রয়ক্ষমতা এবং দৈনন্দিন চাহিদাকে প্রভাবিত করছে। এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমরা কর্মীদের দোরগোড়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল পণ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি, যা তাদের জীবন মানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।
এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেডের (স্বপ্ন) নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, ‘কম খরচে এবং সুবিধাজনকভাবে দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী সরবরাহ করে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে স্বপ্ন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সবসময় চেষ্টা করি কীভাবে গ্রাহকের হাতের নাগালে মানসম্মত পণ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া যায়। ওয়েজলির সঙ্গে এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমাদের মূল উদ্দেশ্য পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। ওয়েজলির উদ্যোগে এবং আমাদের প্রচেষ্টায় যৌথভাবে আমরা আরএমজি কর্মীদের প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী সাশ্রয়ী মূল্যে প্রদান করতে পেরে আনন্দিত। এই উদ্যোগটির মাধ্যমে আমরা দুটি সংস্থা ঐক্যবদ্ধভাবে আরএমজি কর্মীদের জীবন মানের উন্নয়নে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে প্রতিপালক হিসাবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পড়বো বলে আশা করছি।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে যাত্রা করে দেশের সর্ববৃহৎ রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’। প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক, সরবরাহকারীদের সঙ্গে গ্রাহকের মেলবন্ধন তৈরি হচ্ছে স্বপ্নের চেইন শপের মাধ্যমে। দেশব্যাপী এখন স্বপ্ন’র ৩৮০টি আউটলেট রয়েছে। এর আগে সুপারব্র্যান্ডস বাংলাদেশের অধীনে ২০১৮ ও ২০২০-২১ সালে ‘সুপারব্র্যান্ড’ হিসেবে পুরস্কার জিতেছে ‘স্বপ্ন’। এ ছাড়া এশিয়ার ‘মার্কেটিং কোম্পানি অব দ্য ইয়ার ২০২০’ নামে স্বীকৃত ‘ষষ্ঠ এশিয়া মার্কেটিং এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ও জিতেছে স্বপ্ন। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, চীন, থাইল্যান্ড, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার মতো শক্তিশালী ১৮টি দেশের শীর্ষস্থানীয় মার্কেটিং কোম্পানির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এই পুরস্কার অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি।
