হিসাবের ভুলে বিদায় আফগানদের

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:৫২ পিএম

৩৭ ওভার শেষে জয়ের জন্য ৩ রান চাই আফগানিস্তানের। পরবর্তী এক বলে সেটি নিতে পারলে নেট রানরেটে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে সুপার ফোরে উঠে যায় আফগানরা। স্ট্রাইকে রশিদ খান থাকলে করে ফেলত হয়তো। তবে আগের ওভারে তিন চারে দলকে ২৮৯ রানে পৌঁছানো রশিদ ছিলেন নন-স্ট্রাইকে। ধনঞ্জয়া ডি সিলভার করা ৩৮তম ওভারের প্রথম বলটি মুজিব মেরেছিলেন তুলে। কিন্তু লংঅনে ফিল্ডারের হাত খুঁজে নেয় তা।

রানরেটে এগিয়ে থেকে সুপার ফোরে যেতে হলে আফগানদের জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে হতো ৩৭ ওভার ১ বলে। তবে ৩৭ ওভার ১ বলে আফগানিস্তান করে ৯ উইকেটে ২৮৯ রান। কিন্তু পরবর্তী তিন বলের মধ্যে ছক্কা হাঁকিয়ে ২৯৫ রান করলেও সুযোগ ছিল রশিদ-মুজিবদের। এমনকি ৩৭ ওভার ৫ বলে ২৯৫ করলে রানরেটে শ্রীলঙ্কার সমান হতো আফগানিস্তান। তখন কয়েন টসে হতো সুপার ফোরের ভাগ্য নির্ধারণ!

শুধু তাই নয় ২৯১ রান করার পর ছক্কা মারলে সুযোগটি ছিল ৩৮.১ ওভার পর্যন্ত। কিন্তু নিজে বড় শট খেলা বা সিঙ্গেল নিয়ে রশিদকে স্ট্রাইকে দেওয়ার কোনো চেষ্টাই করলেন না ফারুকি। উল্টো চতুর্থ বলে এলবিডাব্লিউ হন ফারুকি। আফগানরা সেই ২৮৯তে অলআউট হলে ২ রানে ম্যাচ জেতে শ্রীলঙ্কা।

তবে কি ৩৭ ওভার ১ বলের অঙ্কটা ছাড়া বাকি হিসাব জানতেন না রশিদ-ফারুকি বা আফগানিস্তান দল! মুজিব আউট হওয়ার পর মাঠে থাকা রশিদের হতাশাই বলছিল সুযোগের হিসাবটা হয়তো জানতেন না তিনি।

তার আগে দলীয় ৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আফগানিস্তান। রহমত শাহ ও মোহাম্মদ নবি চতুর্থ উইকেটে তোলেন ৭১ রান। রহমত ৪০ রানে ফিরলে জুটি ভাঙে। পঞ্চম উইকেটে নবি ও হাশমতউল্লাহ শহিদির ৪৭ বলে ৮০ রানের জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে আফগানরা। নবি ৩২ বলে ৬৫ রান করেন ৬ চার ও ৫ ছক্কায়। তাকে ফেরান থিকসানা। তবে এরপর করিম জানাতকে নিয়ে ২৮ বলে ৩৩ রানের জুটি গড়েন শাহিদি। ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটি ভাঙেন দুনিত ভেল্লালাগে। শাহিদি করেন ৫৯ রান।

শ্রীলঙ্কার হয়ে ইনিংস সর্বোচ্চ ৯২ রান করেন কুশাল মেন্ডিস। দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ৪১ ও দিমুথ করুনারতেœ করেন ৩২ রান। এ ছাড়া চারিথ আশালাঙ্কা ৩৬ এবং শেষ দিকে দুনিত ভেল্লালাগে ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

ম্যাচসেরা হন কুশাল মেন্ডিস।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত