কুষ্টিয়ার কুমারগাড়া এলাকায় প্রভাবশালী চক্র কর্তৃক জিকে সেচ খালের দুই পাড়ের ৬ শতাধিক সরকারি ফলদ ও বনজ গাছ চুরির ঘটনায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) করা মামলা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। গত ৬ আগস্ট পাউবোর পক্ষ থেকে দুজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এক মাসেও তা রেকর্ড করা হয়নি। অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ২০ নম্বর পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সেচ সম্প্রসারণ বিভাগের এক কর্মকর্তা গাছ চুরিতে জড়িত থাকায় মামলা নিচ্ছে না পুলিশ।
সদর উপজেলার কুমারগাড়া বিসিকের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া জিকে সেচখালের দুই পাড়ের এসব গাছ গত আগস্টের প্রথম সপ্তাহজুড়ে কেটে নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয় যুবক সেলিম হোসেনের দাবি, ‘কাউন্সিলর এজাজুল হাকিম, সেচ খালের সেচ সভাপতি আবদুল খালেক ও পাউবোর সেচ বিভাগের আফজাল হোসেনের নেতৃত্বেই গাছগুলো কাটা হয়েছে।’
পাউবো কুষ্টিয়ার সহকারী সেচ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আফজাল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি সেখানে গিয়ে গাছ কাটছে কেন তাদের জিজ্ঞাসা করেছি।’
ওয়ার্ড কাউন্সিলর এজাজুল হাকিম বলেন, ‘আমার নেতৃত্বে গাছ কাটা হয়ছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা’ পাউবো কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, গাছ কাটার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ৬ আগস্ট থানা পুলিশকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। তবে একমাস পেরুলেও থানা পুলিশ কোনো মামলা রেকর্ড করেনি।’
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো মামলা রেকর্ড হয়নি। ওসি অপারেশন দীপেন্দ্র নাথ সিংহ বিষয়টি তদন্ত করছেন।’
