আগামীর বিশ্বে টিকে থাকলে হলে প্রকৌশলীরা সুকৌশলী হতে হবে। আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহার করে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি হলো বস্ত্র শিল্প। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বস্ত্রশিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
গতকাল শনিবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)’র বস্ত্র কৌশল বিভাগের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে ম্যান মেইড ফাইবার (এমএমএফ) উৎপাদনের সুযোগ-প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জ এবং লিঙ্কিং অ্যাকাডেমিয়া’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইবির প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর এসব কথা বলেন।
আবদুস সবুর বলেন, সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বস্ত্রশিল্পের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সরকারের ধারাবাহিকতা দরকার। বস্ত্রশিল্প নিয়ে সরকার অনেক সচেতন। এই শিল্পকে বিকশিত করতে আরও গবেষণা করতে প্রকৌশলীরা এগিয়ে আসবেন। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৩ শতাংশ অর্জিত হয় তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে। সময়ের পরিক্রমায় প্রতিযোগিতার বাজারে ঠিকে থাকতে হলে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হয়। আইইবির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জুর স্বাগত বক্তব্যে প্রদান করেন।
