বকেয়া পাওনা ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে রংপুর শ্রম আদালতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশনের ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে শ্রম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশনের সাবেক সিনিয়র খামার ব্যবস্থাপক মো. ফারুকুল ইসলাম।
মামলার অপর আসামিরা হলেন গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নুর জাহান বেগম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) শামসুদ দোহা, বোর্ড সদস্য ইমামুস সুলতান, রতন কুমার নাগ ও শাহাজান।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ন্যায্য মজুরি না দেওয়া ও শ্রম আইন লঙ্ঘন করে অভিযুক্তরা বাদীর ন্যায্য পাওনা অর্থাৎ মজুরি, গ্র্যাচুইটি ও অর্জিত ছুটি বাবদ ৯ লাখ ৭৫ হাজার ১২৫ টাকা পরিশোধ করেন নাই। এ বিষয়ে বাদীকে বিভিন্ন সময় চাপ প্রয়োগ করে অবসর নিতে বাধ্য করেন ১ নম্বর বিবাদী ড. ইউনূস এবং গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ।
আরো জানা গেছে, গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ ইতিপূর্বে ১২ শ কর্মকর্তাকে একইভাবে ন্যায্য পাওনা না দিয়ে চাপ প্রয়োগে অবসর গ্রহণে বাধ্য করে।
বাদী মামলা দায়েরের মাধ্যমে পাওনাসহ ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।
মামলার বাদী ফারুকুল ইসলাম গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাধীন গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশন ইউনিট কার্যালয়ের খামার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি জানান, তার অবসরোত্তর গ্র্যাচুইটি এবং অর্জিত ছুটি বাবদ পাওনা পরিশোধ না করে অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়। এ ছাড়া তার পাওনা পরিশোধে টালবাহানা করা হয়।
শ্রম ট্রাইব্যুনালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামিম আল মামুন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৬৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
