ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারায় ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয়রা। এই ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। এর আগেও ওই মাদ্রাসায় বলাৎকার ঘটনায় শিক্ষক আটক হয়েছিল।
জানা যায়, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারা ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক কামরুল ইসলাম এক ছাত্রকে (১২) বলাৎকার করেন। বলৎকারের পর কাউকে কিছু না বলতে কোরআন ধরে শপথ করান। কামরুল ফেনী সদরের পশ্চিম ছনুয়া গ্রামের বাসিন্দা।
বলাৎকারের খবর জানাজানির পর মাদ্রাসা সুপার, মাদ্রাসার কমিটি ও ওই ছেলের বাবা একত্রিত হয়ে মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় ওই শিক্ষককে আটকে রেখে মারধর করেন। পরে সাদা স্ট্যাম্পে লিখিত নিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের আর কোন কাজ করবে না এই মর্মে তাকে মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
ওই ছাত্রের বাবা ছেলেকে বলাৎকারের কথা স্বীকার করলেও মাদ্রাসা কমিটির কেউ এ ঘটনাটি স্বীকার করেননি। মাদ্রাসা সুপার আব্দুল হান্নান নিজেও বিষয়টি জানেন না বলে জানান।
তিনি বলেন, তারা সম্পর্কে চাচা ভাতিজা। পড়ালেখা না করায় ভাতিজাকে মারধর করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদ্রাসা কমিটির একজন জানান, ওই শিক্ষক ভবিষ্যতে এরকম কোনো কাজ করবেন না বলে লিখিত অঙ্গীকার দেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, তিনি লিখিত কোন অভিযোগ পাননি। তবে স্থানীয়দের থেকে বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের একজন জন্য পুলিশ পাঠিয়েছি।
