ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী সংগঠন হামাস দাবি করেছে, স্থানীয় সময় বিকাল পর্যন্ত মিশর থেকে গাজায় কোনো ত্রাণ বা রাস্তা মেরামতের সরঞ্জাম প্রবেশ করেনি। রাফাহ ক্রসিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হামাসের মুখপাত্র ওয়ায়েল আবু ওমরের বরাতে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা ও টাইমস অব ইসরায়েল।
গত ০৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এরপর শুরু হওয়া সংঘাতের আগে গাজার ২৩ লাখ মানুষের বেশিরভাগই ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল ছিল। জাতিসংঘের মতে, প্রতিদিন প্রায় ১০০ ট্রাক গাজায় ত্রাণ সরবরাহ করত। ইসরায়েলি অবরোধের পর আবার কবে ত্রাণ গাজায় ঢুকবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
রাফাহ ক্রসিংয়ের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ত্রাণ ঢোকার অনুমতি দিতে গতকাল একটি চুক্তি করে মিশর ও ইসরায়েল। পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, শুক্রবারের মধ্যে ত্রাণ ঢোকা শুরু হতে পারে। তবে ক্রসিংয়ের কাছের রাস্তাগুলো প্রথমে মেরামত করতে হবে।
মিশরীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ০৭ অক্টোবর থেকে রাফাহ ক্রসিংয়ে চারটি ইসরায়েলি বিমান হামলা হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর উপদেষ্টা মার্ক রেগেভ মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেছেন, ইসরায়েল নীতিগতভাবে মিশর থেকে গাজায় ত্রাণ পাঠানোর অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে আমরা চাই না বেসামরিক জনগণের ত্রাণ হামাসের কাছে পৌঁছাক।
