কুয়াকাটায় হাজারো পর্যটক

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:৩৩ এএম

সাপ্তাহিক ছুটি ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে ভিড় করেছেন হাজারো পর্যটক। তাদের সেবা দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। আর পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় তৎপর রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সমুদ্রসৈকত জুড়ে নানা বয়সীর হাজার হাজার পর্যটক দেখা যায়। কেউ উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে জলকেলিতে মাতছেন, কেউবা সমুদ্রবাইকে চড়ছেন, কেউ কেউ চেয়ারে বা সৈকতের বালিতে বসে আড্ডা দিচ্ছেন আর কেউবা সৈকতের প্রাকৃতিক পথ ধরে মাইলের পর মাইল হেঁটে সাগরের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।

সৈকতে কথা হয় পর্যটক আজিজ আহমদ ও কাকলী আহমদ দম্পতির সঙ্গে। তারা বলেন, দীর্ঘদিনের ইচ্ছে ছিল কুয়াকাটা ভ্রমণে আসব। সময় না হওয়ার কারণে এতদিন আসা হয়নি। তবে যোগাযোগব্যবস্থা যে এত উন্নত, তা জানা ছিল না। এখন কুয়াকাটা আসতে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা লাগে।

প্রথমবার ভ্রমণে আসার অনুভূতি সত্যি অসাধারণ।

নীলফামারীর বাসিন্দা ফরিদ উদ্দিন বলেন, যাতায়াতব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় এখন খুব সহজে কুয়াকাটা আসা যাচ্ছে। সবকিছু ভালো, তবে আবাসিক হোটেলে ভাড়া বেশি রাখছে। এ বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত।

ঢাকার চানখাঁরপুল এলাকার বাসিন্দা শাকিল আহমেদ বলেন, কয়েক বছর পর কুয়াকাটা ভ্রমণে এলাম। এ সময়টায় সমুদ্র স্নানের মজা অন্যরকম। প্রকৃতি যে এত সুন্দর, তা জানা ছিল না। তবে কুয়াকাটায় খাবারের মান অনুযায়ী দাম অনেক বেশি।

কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ দেশ রূপান্তরকে বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে সব আবাসিক হোটেলে বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে। এখন সাপ্তাহিক ছুটি কাটাতে আসা পর্যটকরা ভিড় করছেন। শীত যত ঘনিয়ে আসবে, পর্যটকদের ভিড় তত বাড়বে। কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের (পরিদর্শক) হাসনাইন পারভেজ বলেন, সাপ্তাহিক ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তায় পর্যটন স্পটে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আবাসিক হোটেলে অধিক ভাড়া রাখার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত