ব্যারিকেড

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:৩৪ এএম

বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। মাঠে রয়েছে র‌্যাব-পুলিশের ১৫ হাজার সদস্য। নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে অন্য সংস্থা ও বাহিনীগুলোর সদস্যরাও। ঢাকার প্রবেশপথ ও মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে নিরাপত্তাচৌকি। এ নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়ে মহানগর ঢাকা।

শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) রাত থেকেই ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

আজ সকাল যান চলাচল করে দেওয়া হয়েছে সীমিত। রাজধানীতে গণপরিবহন নেই বললেই চলে। যা দু-একটা আছে তাতে ভিড়ের কারণে সাধারণ যাত্রীরা উঠতে পারছেন না, নারী ও শিশুদের কথা তো অনেক পরে! এর ফলে অফিসগামী সাধারণ মানুষ বিশেষ করে নারীদের পড়তে হচ্ছে ভীষণ বিড়ম্বনায়। মাঝে মাঝে দেখা মিলছে কিছু সিএনজিচালিত অটোরিকশার। দুষ্প্রাপ্য এই যানের ধারেকাছে যাওয়া যাচ্ছে না ভাড়ার উত্তাপে। স্বল্পতম দূরত্বে এরা ভাড়া হাঁকাচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা।

আর রিকশাচালকেরা তো আর মহারাজ!

মোড়ে মোড়ে তল্লাশি, পথে পথে চেকপোস্ট আর রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড। অজানা শঙ্কা মানুষের চোখেমুখে। ‘শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশের’ ওয়াদা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবুও ভয় কাটছে না কারো মন থেকেই। সবার মনেই একই আতঙ্ক—না জানি কী হয়।

রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড। জন ও যানশূন্য মহাসড়কগুলো লোহা ও কাঁটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিচ্ছে পুলিশ। রাজধানীর মধুমিতা হলের সামনের রাস্তাটি ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। ব্যারিকেডের সামনে সুদৃঢ় অবস্থান তাদের। শুধু এই রাস্তাটি নয়, এমন আরও অনেক রাস্তায় ব্যারিকেড ও চেকপোস্ট স্থাপন ও তল্লাশি করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত