দমন পীড়নের পথ ছেড়ে কালবিলম্ব না করে সরকারকে দ্রুত পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি ‘এবি পার্টি’। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ঘোষিত মহাসমাবেশ ও এবি পার্টি আহুত গণতন্ত্র সমাবেশ চলাকালে পুলিশের ন্যক্কারজনক হামলা, গুলীবর্ষণ ও মুহূর্মুহূ টিয়ারশেল নিক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপি জোটের ডাকা আগামীকালের হরতালের প্রতিও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে দলটি।
শনিবার (২৮ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি ‘এবি পার্টি’।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এবি পার্টি আয়োজিত গণতন্ত্র সমাবেশ চলাকালে বেলা সোয়া দুইটার দিকে অতর্কিতে পুলিশ পল্টন মোড় থেকে একের পর এক সাউন্ড গ্রেনেড চার্জ করতে থাকে। তারা বিএনপি কর্মীদের উপর নির্বিচারে রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এসময় বিএনপি কর্মীদের পাশাপাশি এবি পার্টির নেতাকর্মীরাও অনেকে আহত ও রক্তাক্ত হয়ে লুটিয়ে পড়ে।
এর আগে আজ সকাল ১১টায় রাজধানীর বিজয়-৭১ চত্বরে এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরীর সভাপতিত্বে গণতন্ত্র সমাবেশ শুরু হয়। দলের সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব আনোয়ার সাদাত টুটুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব:) আব্দুল ওহাব মিনার, সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক বিএম নাজমুল হক, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, এবি যুবপার্টির আহ্বায়ক এবিএম খালিদ হাসান, অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এফসিএ, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন ও সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব আব্দুল বাসেত মারজান।
সোলায়মান চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্র সমাবেশ চলা অবস্থায় সরকার মুহুর্মুহু সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে চরম অরাজকতার সূচনা করেছে। তিনি বলেন, জনতার এই বিপ্লব বিজয়ের মাধ্যমে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ।
আব্দুল ওহাব মিনার বলেন, বাকশালি সরকার জনগণের উপর হামলা করে দেশজুড়ে অশান্তি ছড়িয়ে দিতে চায়। তিনি অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ দাবি করেন।
অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, জনগণের সমাবেশে যেভাবে সরকার হামলে পড়েছে তাতে এই সরকার আর চলতে পারে না। ফ্যাসিবাদ হটিয়ে জনগণের সরকার কায়েম করেই আমরা ঘরে ফিরবো ইনশাআল্লাহ। পুলিশ দিয়ে, হামলা করে, মামলা করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।
