ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও চীনের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের লড়াইয়ে কারও পক্ষই নেবে না বাংলাদেশ। এই সপ্তাহে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস সফরের সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বার্তা দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সাময়িকী দ্য পলিটিকো এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
গত ২৬ অক্টোবর পলিটিকোকে বিশেষ সাক্ষাৎকার দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রনীতি খুবই পরিষ্কার সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব। আমার ছোট্ট ভূখণ্ডে ১৭০ মিলিয়ন মানুষ আছে। তাই আমাদের প্রতিটি দেশ থেকেই বিনিয়োগ প্রয়োজন। প্রত্যেকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে। তবে সেটি আমাদের দেশের জন্য উপযুক্ত কি না তা আমরা মূল্যায়ন করি।’
ইউরোপীয় কমিশনের (ইসি) প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের আমন্ত্রণে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে অংশ নিতে গত ২৪ অক্টোবর তিন দিনের সফরে ব্রাসেলস যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পলিটিকো জানিয়েছে, সফরকালে একটি বিনিয়োগ চুক্তি করেন তিনি। ইইউ এবং ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক থেকে ঋণ ও অনুদান সমন্বিত ৪০০ মিলিয়ন ইউরোর এই বাম্পার প্যাকেজটি দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিতে এখন পর্যন্ত ইইউর সবচেয়ে ‘বড় বাজি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগ ইইউর বেশ কয়েকটি বিদেশি বিনিয়োগ কর্মসূচির একটি, যা চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প হিসেবে উন্মোচিত হয়েছে।
