গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে টানা তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধ। যুদ্ধের শুরু থেকেই অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে তীব্র ও ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল।
গত ২৪ দিনে অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার ও বর্বর হামলায় প্রতিনিয়ত হতাহত হচ্ছে শত শত মানুষ। অঞ্চলটিতে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫২৫ জনে। আর আহত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৫৪৩ জনে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এদিকে অবরুদ্ধ গাজায় জ্বালানির অভাবে হাসপাতালগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মানবিক সংকটে পড়েছেন আহত ফিলিস্তিনিরা। আর তাই গাজা ও মিসরের মধ্যবর্তী রাফাহ সীমান্তের দক্ষিণ দিক খুলে দেয়া হতে পারে যাতে করে গুরুতর আহত ফিলিস্তিনিরা মিসরে চিকিৎসার জন্য যেতে পারেন।
রাফাহ সীমান্তের কয়েকটি সূত্রের বরাতে বার্তাসংস্থা বিবিসি বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে যে, কাতারের মধ্যস্থতায় কিছু আহত ব্যাক্তিকে মিসরে চিকিৎসার সুযোগ দিতে রাফাহ সীমান্ত আজ খোলা হতে পারে।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে যে, কাতার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে মিসর, ইসরায়েল ও হামাসের সাথে এ বিষয়ে এক চুক্তি আলোচনা করছে। এই চুক্তির ফলে কিছু গুরুতর আহত ব্যক্তি এবং কিছু বিদেশী পাসপোর্টধারী গাজা স্ট্রিপের বাইরে যেতে পারবে।
তবে এ পারাপার কিভাবে পরিচালিত হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি।
৭ অক্টোবর যুদ্ধের শুরু থেকেই বন্ধ রয়েছে এ সীমান্ত। শুধুমাত্র ত্রাণবাহী গাড়ি ছাড়া আর কোন কিছু পারাপারের অনুমতি ছিল না এ সীমান্ত দিয়ে। কারণ শরণার্থীদের অনিয়ন্ত্রিত ঢেউয়ের আশঙ্কায় শুরু থেকেই সীমান্ত খুলতে নারাজ মিসর।
