ঐতিহাসিক দ্বৈরথের ইতিহাস স্মরণ করে নিজেদের চেনা রূপে ফিরে আসতে পারলেন না জস বাটলাররা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়ার কাছে তাদের হার মেনে নিতে হলো ৩৩ রানে। অজিদের দেওয়া ২৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইংলিশদের ইনিংস থামে ২৫৩ রানে। টানা পাঁচ হারে আসর থেকে ছিটকে গেল গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ইংল্যান্ড ইনিংসের প্রথম বলেই আত্মাহুতি দেন জনি বেয়ারস্টো। দ্রুত জো রুটকেও ফেরান স্টার্ক। সেখান থেকে ৮৪ রানের জুটি গড়েন মালান ও স্টোকস। ৬৪ বলে ৫০ করে ফেরেন মালান। একই পথ ধরেন বাটলার। এরপর মইনের সঙ্গে স্টোকসের ৬৩ রানের জুটি ছিল শেষ আশা। সেটি ভাঙার পর আর লড়াইয়ে টিকতে পারেনি ইংল্যান্ড। বেন স্টোকস ৯০ বলে ৬৪ এবং মইন ৪৩ বলে ৪২ রান করেন। জাম্পা ৩টি এবং হ্যাজেলউড, কামিন্স ও স্টার্ক ২টি করে উইকেট নেন।
আহমেদাবাদে টস হেরে লাবুশেন, স্মিথ, গ্রিনদের সম্মিলিত অবদানে ৩ বল বাকি থাকতে সব উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ২৮৬ রান জড়ো করে অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ৩৮ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার ট্রাভিস এবং ওয়ার্নারকে ফেরান ওকস। তৃতীয় উইকেটে ৭৫ রানের জুটি গড়েন স্টিভ স্মিথ ও মারনাস লাবুশেন। ফিফটি থেকে ৬ রান দূরে থাকতে আদিল রশিদের বলে আউট হন স্মিথ। ৩ চারে ৫২ বলে ৪৪ রান করেন স্মিথ। তবে ৬৩ বলে ক্যারিয়ারের দশম ফিফটি তুলে নেন লাবুশেন। ৭ চারে ৮৩ বলে ৭১ রান করে ফেরেন তিনি। ক্যামেরুন গ্রিন ৫২ বলে ৫ চারে করেন ৪৭ রান। এরপর শেষ দিকে মার্কাস স্টয়নিসের ৩৫ আর অ্যাডাম জাম্পার ১৯ বলে ২৯ রানে স্কোরবোর্ডে এই পুঁজি দাঁড় করায় অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে ক্রিস ওকস শিকার করেন ৪টি উইকেট। এ ছাড়া আদিল রশিদ ও মার্ক উড ২টি করে উইকেট নেন।
×
