সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বিএনপি : জয়

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২৩, ০২:৫৫ এএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর বিএনপি-জামায়াতের সম্মিলিত সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা করে বলেছেন, এগুলোর উদ্দেশ্য হলো দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিকল করে দেওয়া। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির এই প্রাক্তন ছাত্র বিএনপির একজন সিনিয়র কেন্দ্রীয় নেতা সম্প্রতি প্রকাশ্যে গত ২৮ অক্টোবর বিএনপি ক্যাডারদের দ্বারা কথিত পুলিশ অফিসারের নির্মম হত্যাকা-কে প্রকাশ্যে প্রশংসারও তীব্র নিন্দা করেছেন। খবর বাসস

গত ৪৮ ঘণ্টার অবরোধে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের সদস্যদের রাজধানীতে পুলিশ ভ্যানে ককটেল নিক্ষেপের খবরের পরিপ্রেক্ষিতে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের পুলিশের ভ্যানে হামলা স্পষ্টতই অবরোধ সফল করার চেষ্টা।’

এই পর্যবেক্ষণের সঙ্গে তিনি অতীতে বিএনবির ছাত্র সংগঠনের পিকেটারদের পুলিশের ওপর হামলার এ ধরনের প্রতিবেদনে সংকলন করে একটি ছোট ভিডিও প্রতিবেদন সংযুক্ত করেন, যা থেকে বোঝা যায় অতীতের মতোই তাদের ‘চলমান অবরোধ’ সফল করতে তারা পুলিশ ভ্যানে এই ককটেল নিক্ষেপ করেছে।

জয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনেরও উল্লেখ করেন, যাতে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃত করে বলা হয়, তারা বিশ্বাস করেন যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এ ধরনের হামলার অর্থ আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ বিকল করে দেওয়া।

গত সাত দিনের ব্যবধানে সজীব ওয়াজেদ জয় একাধিক টুইট পোস্ট করে বিএনপি নেতাদের ভ-ামি প্রকাশ করেছেন, যারা দাবি করেছে যে তাদের আন্দোলন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য করা হচ্ছে।

সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, কয়েক দিন আগে বিক্ষুব্ধ ক্যাডাররা একজন পুলিশ অফিসারকে পিটিয়ে হত্যা করেছে, একটি পুলিশ হাসপাতালে অগ্নিসংযোগ করেছে এবং ১০০ জনেরও বেশি কর্মকর্তাকে আহত করেছে।

পুলিশ অফিসারের নৃশংস হত্যাকান্ডকে স্বাগত জানিয়ে একজন সিনিয়র বিএনপি নেতার প্রকাশ্যে দাবি ‘এই হত্যা তাদের অনুষ্ঠানকে সফল করেছে’, প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্বেগের মধ্যে ফেলেছে, যারা একে ‘হত্যাকারীদের প্রশংসা করার একটি উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিএনপি-জামায়াত ক্যাডাররা ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালে আট মাস ধরে দেশব্যাপী অগ্নিসংযোগ ও অবরোধের নামে কমপক্ষে ৯০ জন পুলিশকে হত্যা করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত