ক্রিকেট বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছে ভারত। ৭ ম্যাচের একটিতেও হারের মুখ দেখেনি ভারত। যার অনেকখানি কৃতিত্বের দাবিদার পেসার মোহাম্মদ শামির। মাত্র ৩ ম্যাচে ১৪টি উইকেট নিয়ে হইচই ফেলেছেন মোহম্মদ শামি।
একদিকে যখন বল হাতে আগুন ঝরাচ্ছেন শামি, তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহান। আলাদা থাকছেন। ডিভোর্স মামলা আদালতে বিচারাধীন। শামির প্রশংসায় গোটা ভারত, তখন সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করে যাচ্ছেন হাসিন। সম্প্রতি একটি মোষের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে বিতর্কে জড়ান হাসিন।
হাসিন একটি মোষের সঙ্গে সেলফি পোস্ট করে লেখেন, ‘আমরোহার মোষ। এখন তো শুধুমাত্র এক দুধ নিচ্ছি। কয়েকদিন পর মাংসও খাব।’ হাসিনের এই পোস্ট দেখেই বিদ্রুপ করতে শুরু করেন শামি ভক্তরা। এখানেই শেষ নয়, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শামির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হাসিন বলেছেন, ‘যাই হোক, ভালো খেলছে। ভালো খেললে টিমে থাকবে, ভালো আয় করবে। আর তাতেই আমাদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত হবে।’
এরপরই হাসিনকে ‘লোভী’, ‘গোল্ড ডিগার’ বলে তুলোধনা করতে থাকেন নেটিজেনরা। এতেই মেজাজ হারিয়ে পালটা শামিকে হুঁশিয়ারি হাসিনের। লেখেন, ‘শামি তোর পালতু (পালিত) পাগল কুকুরদের যদি ক্ষমতা থাকে তো বল যেন ফোন নম্বর আর বাড়ির ঠিকানা দিয়ে ঘেউ ঘেউ করে, তারপর আমিও এই পাগল কুকুরদের আসল ক্ষমতা দেখিয়ে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ’।
এখানেই থেমে যাননি হাসিন। আরও লেখেন,‘জানু তোর একটাও পাগল কুকুরদের অউকাত নেই বিস্তারিতভাবে নিজেদের পরিচিতি জানানোর। ভীতু, কাপুরুষ,পাগল কুকুরদের টিম তোর।’
২০১৮ সাল থেকে আইনি লড়াই চলছে দুজনের। বিচ্ছেদ মামলা আলিপুর কোর্টে বিচারাধীন। হাসিনের দাবি, শামি যৌতুকের জন্যে জোরাজুরি করতেন। এছাড়াও একাধিক নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে তাঁর। ভারতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক সফরে যাওয়ার সময় হোটেলের ঘরেই যৌনকর্মীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতেন বলেও অভিযোগ।
এমন কী শামি যে নিয়মিত যৌন কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেন, সেই মোবাইলও আদালত জব্দ করেছে।
পেশায় মডেল হাসিন আইপিএলে চিয়ার লিডার হিসাবে কাজ করেছেন। বেশ কিছু বিজ্ঞাপনী ক্যাম্পেনের সঙ্গেও যুক্ত থেকেছেন হাসিন। কলকাতার মেয়ে হাসিনের সঙ্গে শামির আলাপ আইপিএল-এর ফাঁকেই। প্রেমপর্বের পর ২০১৪ সালের ৬ জুনে বিয়ের পর্ব সেরেছিলেন দুজনে। তাঁদের এক কন্যা সন্তানও রয়েছে।
