আবারও একটি বিশ্বকাপ। ফের একটি সেমিফাইনাল। পুনরায় ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে নিউজিল্যান্ড। আগামী ১৫ নভেম্বর মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে একে অন্যকে মোকাবেলা করবে তারা। ঘরের মাঠ বলে স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে আছেন রোহিত শর্মারা। তবে কিউই অলরাউন্ডার রাচিন রবীন্দ্র জানালেন, তারাও কম যান না।
এবারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার আগে উচ্ছ্বসিত রাচিন। তিনি অবশ্য জানিয়েছেন, মেন ইন ব্লুদের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে ব্ল্যাক ক্যাপসরা শান্ত থাকার চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, ‘ওয়াংখেড়েতে অপরাজিত থাকা ভারতের বিপক্ষে পূর্ণ দর্শকের সামনে খেলার স্বপ্ন দেখেন। আমরা সমতা বজায় রাখার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব। প্রতিটি ম্যাচ জেতার সামর্থ্য থাকলেও সবাই সেটা জিততে পারে না, যে কেউ হেরে যেতে পারে। আমাদের বেলায়ও সেটা হতে পারে। তাই আমরা ম্যাচের পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করব।’
২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে এমসিজিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় তারা। ২০১৯ সালে কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বাধীন কিউইরা ভারতকে হারিয়েই ফাইনালে উঠেছিল। তবে আবারও হৃদয় ভাঙা হার তাদের সঙ্গী হয়। স্বাগতিক ইংল্যান্ডে কাছে সুপার ওভারে হেরে যায় তারা।
এছাড়া ২০১১ সালেও উপমহাদেশের বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলেছিলেন ব্রেন্ডন ম্যাককোলামরা। এমনকি ২০০৭ সালেও তারা সেরা চারের ম্যাচ খেলেছিল।
বিশ্বকাপের সবশেষ ৫ আসরের সবগুলোতেই সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলেছে কিউইরা। তবে কোনোবারই শিরোপা জিততে পারেন তারা। এ বিষয়ে নিজের দলের প্রশংসা করে রাচিন বললেন, ‘আমরা গত কয়েকটি বিশ্বকাপ ধরে যেভাবে খেলছি এবং ফাইনালে যাওয়ার জন্য নকআউট পর্বে যে ধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি তা আমি মনে করি আমাদের জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত।’
বিশ্বকাপের এই আসরে রাচিন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় বর্তমানে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। ৯ ম্যাচে ৭০.৬২ গড়ে ১০৮.৪৪ স্ট্রাইক রেটে ৫৬৫ রান করেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। যার মধ্যে রয়েছে তিনটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরি।
