বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতকে হারাতে পারবে বলে মনে করছে নিউজিল্যান্ড। ব্ল্যাকক্যাপসরা এর আগে ৯বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলেছে এবং তারা আত্মবিশ্বাসী যে স্বাগতিক ভারতকে হারানোর সামর্থ্য তাদের আছে।
নিউজিল্যান্ড মুম্বাইয়ে কোনো গ্রুপ ম্যাচ খেলেনি, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারত শ্রীলঙ্কাকে ৩০২ রানে হারিয়েছিল। টানা ৯ ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি, স্বাগতিক হওয়ার সুবিধা ভারতের, দর্শকদের সমর্থন পেয়েছে। এটি ব্ল্যাকক্যাপসদের জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন করে তুলবে। পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো এবং প্রথমে ব্যাট করা দলের দারুণ স্কোর করার সম্ভাবনা আছে। পরে ব্যাটিং করে ৩০০’র বেশি রান তাড়া করা হবে সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ।
নিউজিল্যান্ডের জয়ের জন্য দুটি জিনিস ঘটতে হবে। তাদের অবশ্যই খুব তাড়াতাড়ি রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিকে ৩০ এর নিচে থাকতে ফেরাতে হবে। এমনটি হলে সেটি হবে দারুণ শুরু। তবে শুবমান গিল, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল, সূর্যকুমার যাদব এবং রবীন্দ্র জাদেজা ভারতকে বিপদ থেকে বের করে আনতে পারেন। খুব দ্রুত বড় রান তুলতে পারে। এটাই তাদের ব্যাটিংয়ের শক্তি।
দ্বিতীয়ত, নিউজিল্যান্ডের টপ অর্ডারকে জাসপ্রিত বুমরা (১৭ উইকেট), মোহাম্মদ সিরাজ ও মোহাম্মদ শামির (১৬ উইকেট) গতি ও সুইংকে সামলাতে হবে। জাদেজাও নিউজিল্যান্ডের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারেন। স্পিনে অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ আছে তার। অভিজ্ঞ ডেভন কনওয়ে সম্প্রতি বড় ইনিংস না খেললেও রানের মধ্যে আছেন এবং রাচিন রবীন্দ্র এই টুর্নামেন্টের অন্যতম আবিষ্কার। উদীয়মান তারকা হিসেবে বিশ্বমঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। কোনো রকম ভয় ছাড়াই খেলেছেন এবং তার স্ট্রোক দারুণ। বিরাট কোহলি ও কুইন্টন ডি ককের পরে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী, ১০৮ স্ট্রাইক রেটে; তিনটি সেঞ্চুরি। পাঁচটি উইকেটও নিয়েছেন।
কেন উইলিয়ামসন ধরে খেলে বড় ইনিংস গড়ার কাজটা করছেন। তার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে তিনি কীভাবে বোলারদের ব্যবহার করবেন। ফর্মে ফিরেছেন ট্রেন্ট বোল্ট। তিনি যদি ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের দিকে বল সুইং করতে পারেন, তবে (উইকেটের জন্য এলবিডাব্লিউ) আপিল করলে তার পক্ষে আসার সম্ভাবনাই বেশি। মিচেল স্যান্টনার এবার নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলার। বলে তার ফ্লাইটের নিয়ন্ত্রণ, গতি পরিবর্তন এবং স্পিনে প্রতি ওভারে পাঁচ রানের কম খরচে ১৬ উইকেট নিয়েছেন।
