কেন বিশ্ব পুরুষ দিবস পালন করা হয়?

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:৪১ পিএম

আজ ১৯ নভেম্বর। বিশ্ব পুরুষ দিবস। বিশ্বব্যাপী লিঙ্গভিত্তিক সমতা, বালক ও পুরুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার প্রধান উপলক্ষ হিসেবে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়।

১৯৬০ সাল থেকে পুরুষদের নিয়ে একটি দিবস পালনের দাবি ওঠে। ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস পালন করা শুরু হলে এই দাবি আরও জোরালো হয়।‌ তবে দিবসটি প্রথম পালন করা শুরু করেন থমাস ওস্টার। ১৯৯২ সালের ৭ তারিখ এই দিবসটি প্রথম পালন করেন তিনি। ১৯৯৯ থেকে দিবসটি ১৯ নভেম্বর পালন করা শুরু হয়। এর পেছনে প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন ডা. জেরোমি তিলাকসিং।

বিশ্ব পুরুষ দিবস পালনের ৫ কারণ

১. বিশ্ব পুরুষ দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো আদর্শ পুরুষদের কথা আরো বেশি করে সবাইকে জানানো। কর্মঠ ও পরিবারের খেয়াল রাখে এমন পুরুষরাই আমাদের রোল মডেল। তাদের গল্প সবাইকে বলাই দিনটির প্রধান লক্ষ্য।

২. পুরুষরা রোজকার জীবনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে রয়েছে বাড়ির সদস্যদের খেয়াল রাখা, বাচ্চার যত্ন নেওয়া, তাদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়া ও বড় করে তোলা। এসবের পাশাপাশি নিজের সঙ্গিকে ভালো রাখার দায়িত্বও আছে। এছাড়া কেউ বিপদে পড়লে তার পাশে গিয়ে দাঁড়াতে হয়। সমাজের প্রতি পুরুষদের এই দায়িত্বের কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি।

৩. রোজকার চাপ সামলাতে সামলাতে পুরুষদেরও নানারকম অসুস্থতা হতে পারে। বিশ্ব পুরুষ দিবস তাদের শরীরের খেয়াল রাখার কথাও মনে করিয়ে দেয়।

৪. সমাজে নারীদের মতো পুরুষরাও বেশ কিছু জায়গায় বিষম আচরণের সম্মুখীন হয়। তাদের সেই আচরণ থেকে রক্ষার করার বার্তাও দেয় এই বিশেষ দিন‌।

৫. লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে আনার ব্যাপারে এখন পুরো পৃথিবী সচেতন। এর জন্য নারীর পাশাপাশি কিছু কিছু বিষয়ে পুরুষের অধিকারও সুনিশ্চিত করা দরকার। বিশ্ব পুরুষ দিবস সে কথাগুলোই মনে করিয়ে দেয়।‌

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত