প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অন্য রকম আউট মুশফিক

আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:২৮ পিএম

মুশফিকুর রহিম এবার অদ্ভুত এক আউটের মঞ্চায়ন করেছেন। আজ মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় সেশনে এই ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে 'অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড' আউট হলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। যা আগে ‘হ্যান্ডেল্ড দ্য বল’ নামে পরিচিত ছিল।

কাইল জেমিসনের স্টাম্পের ওপর করা ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলেন মুশফিক। বল তার ব্যাটে লাগার পর পপিং ক্রিজে ড্রপ করে আরও ডান দিকে সরে যাচ্ছিল। তখন ডান হাত দিয়ে বলটি আরও ঠেলে দেন মুশফিক। সঙ্গে সঙ্গেই আবেদন করেন জেমিসন। অধিনায়ক টিম সাউদিসহ বাকিরাও যোগ দেন এতে। টিভি রিপ্লে দেখে মুশফিককে আউটের সিদ্ধান্ত জানান থার্ড আম্পায়ার।

https://twitter.com/i/status/1732299275454079132

দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারেও এভাবে আউট হতে পারতেন মুশফিক। তখন অল্পের জন্য তার হাতে লাগেনি বল। সেবার বেঁচে গেলেও শেষ পর্যন্ত 'হ্যান্ডলড দ্য বল' আউট হলেন মুশফিক। ভাঙল ১৫৪ বল স্থায়ী ৫৭ রানের জুটি। ফেরার আগে ৮৩ বলে এক ছক্কা ও তিন চারে ৩৫ রান করেন মুশফিক। ৪২ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১০৫ রান। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান মিরাজ। শাহাদাত হোসেন অপরাজিত ২২ রানে।

এই সংস্করণে এমনভাবে আউট হওয়া অষ্টম ক্রিকেটার মুশফিক। সবশেষ ২০০১ সালে ভারতের বিপক্ষে বেঙ্গালোর টেস্টে 'হ্যান্ডেলড দ্য বল' আউট হন মাইকেল ভন।

সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে 'হ্যান্ডলড দ্য বল' আউট হওয়া একাদশ ব্যাটসম্যান মুশফিক। ২০১৫ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচে এভাবে আউট হন জিম্বাবুয়ের চামু চিবাবা।

এই আউটটি আগে 'হ্যান্ডলড দ্য বল' নামে পরিচিত ছিল। ২০১৭ সালে 'অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড' এর অন্তর্ভুক্ত করে এমসিসি। ফলে ক্রিকেটের আউটের ধরন এখন দশের বদলে নয়টি।

ক্রিকেটের আইনে ৩৭.১.১ ধারায় এই আউট সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘ব্যাটসম্যান যদি যে হাতে ব্যাট ধরা নেই সেই হাত দিয়ে বল ধরেন, তবে এই আউট হবেন। কিন্তু যদি চোটের হাত থেকে বাঁচতে বল ধরেন তবে তিনি আউট হবেন না।’ এই আইনটি এক সময় ‘হ্যান্ডলড দ্য বল’ আউট নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু ২০১৭ সালে ‘হ্যান্ডলড দ্য বল’ আউটকে ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’ আউটের অর্ন্তভুক্ত করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত