ইসলামী আন্দোলনের নেতারা বলেছেন, ‘২০১৪ ও ২০১৮ এর মত নির্বাচন আমরা চাই না। ৭ জানুয়ারির নির্বাচন থেকে সরকারকে ফিরিয়ে আনার জন্য ইসলামী আন্দোলন রাজপথে নেমেছে। সরকারকে বলব ফিরে আসুন। ফিরে না আসলে আগামীতে যে রক্তপাত, গৃহযুদ্ধ হবে এর দায় দায়িত্ব আওয়ামী লীগ সরকারকে নিতে হবে।’
আজ শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দলটির নেতারা এসব কথা বলেন। পরে পল্টন সড়কে মিছিল ও দোয়ার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করে ইসলামী আন্দোলন।
‘বিতর্কিত নির্বাচন কমিশন একতরফা নির্বাচনী তফসিল বাতিল, রাজবন্দিদের মুক্তি, বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন’ এর দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর এই সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানি বলেন, ‘বেচাকেনার হাটের মতো প্রার্থী ও দলকে নির্বাচনে আনা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিল ১৪ দল। এখন আওয়ামী লীগ তাদের কোনো সিট দিচ্ছে না। এজন্য ইনু-মেনন খুব পেরেশানিতে আছেন। তাদের সিটও গেছে।’
জাতীয় পার্টির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি ডায়রেক্ট বলি তারা একটা বিষফোড়া। ২০১৪ সালে আবার ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচন করে। ওরা অংশীদার, মন্ত্রী হয়, তারা বিরোধী দল হয় কীভাবে। এটা তো ধোঁকাবাজি। অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলেছেন জিএম কাদের। এখন তারা নির্বাচনে চলে গেছে। জাতীয় পার্টি বলছে তারা ভোট করবে। অথচ আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করে আসন ভাগাভাগি করেছে। জাতীয় পার্টি চায় ৭২টি আসন, সরকার বলছে ২০টার বেশি দিতে পারবো না। এই দর কাষাকষির ভোট চলছে।’
ইসলামী আন্দোলনে ওই নেতা বলেন, ‘আলেমরাও টাকার কাছে বিক্রি হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন মানুষের সঙ্গে আছে, প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার উৎখাত করবে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল বাতিল করতে হবে।’