গাজীপুরের টঙ্গীতে আওয়ামী লীগ নেতা মতিউর রহমান মতির বাসায় নৌকা প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। আর এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করার পর সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সব মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ধারণ করা ভিডিওচিত্র মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-২ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের চাচা মতিউর রহমান মতির বাসায় এ ঘটনা ঘটে। তার বাসা টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় এমএ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সঙ্গে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে মতিউর রহমান মতির বাসায় সভা হয়। এতে ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম নুরু এবং গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কাইয়ুম সরকারের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ সময় হাতাহাতি সামলাতে গিয়ে গাজীপুর মহানগর মোটর শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন (লিটন মহাজন) এগিয়ে এলে তাকেও অপমান করা হয়। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় উপস্থিত ১০-১২ জন সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। মোবাইল ফোন দিতে না চাওয়ায় দুজন সাংবাদিককে জামার কলার ধরে টানাহ্যাঁচড়া করা হয়। এরপর উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতারা সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে হাতাহাতির ভিডিওচিত্র মুছে ফেলে মোবাইল ফোন ফিরিয়ে দেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিকরা মতিউর রহমান মতির বাসার সামনে অবস্থান নেন।
মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কাউন্সিলর সাহেব আমাদের ওপর উত্তেজিত হয়ে খারাপ ব্যবহার করেছেন। কয়েকজন সাংবাদিকের গায়েও হাত দিয়েছেন।’
