যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডার নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বাংলাদেশ নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গতকাল রবিবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে এ কথা জানান তিনি।
মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের সর্বজনীন ঘোষণার ৭৫ বছর পূর্তি সামনে রেখে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ১৩টি দেশের ৩৭ ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাজ্য ও কানাডা অর্ধশত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মানবাধিকারের কথা বলতে হলে ফিলিস্তিনের কথা বলতে হবে। সেখানে ইসরায়েল ১৮ হাজার মানুষ মেরেছে, এখনো চলছে। অথচ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ইসরায়েলের পক্ষে একমাত্র সমর্থন দিল যুক্তরাষ্ট্র। এ থেকে আবারও প্রমাণ হলো ইসরায়েল নামক দুষ্ট ছেলে আমেরিকার সন্তান।’
দেশে স্বাধীনতার পর ১৫ আগস্টের ঘটনা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নৃশংসতা সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। এ হত্যার বিচার পর্যন্ত হয়নি। জেলের ভেতরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি শেষ করে দিতে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের পর খালেদা জিয়াও গুম-খুনের রাজনীতি করেন।’ তিনি বলেন, ‘দেশে বিএনপি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘৃণ্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। তারা মানবাধিকার লঙ্ঘনে রেকর্ড ভেঙেছে। তাদের মুখে আজ মানবাধিকারের কথা মানায় না।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আজ মানবাধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে যাদের হাতে, তারাই মানবাধিকার নিয়ে বেশি সোচ্চার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহাবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।
