বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বাড়িতে ঢুকে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:০০ পিএম

খুলনায় বাড়িতে ঢুকে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে নগরীর কৈয়া বাজার সংলগ্ন গোলা গ্রামে এ ধর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত গোবিন্দ ফৌজদার (৩২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার মা-বাবাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে, পুলিশের ক্রাইম সিনের সদস্যরা ধর্ষণ সংঘঠিত হওয়া ঘরটি সিল করে দিয়েছে।

প্রতিবেশী ভারতী মল্লিক ও উত্তম কুমার মল্লিক জানান, গোবিন্দ ফৌজদার নামে স্থানীয় এক যুবক প্রায় সময় মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাবসহ নানাভাবে উৎত্যক্ত করত। কিন্তু মেয়েটি তার প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় সে ক্ষুব্ধ হয়। পরে পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ তাকে ধর্ষণ ও তার বাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছে।

তারা জানান, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির কিছুদিন আগে আশীর্বাদ (বাগদান) হয়েছে। কয়েকদিন পর তার বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনজন দুর্বৃত্ত কৈয়া বাজার সংলগ্ন গোলা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত এক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ওই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা ওই বাড়ির স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে গোবিন্দ নামে একজন যুবক বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। ওই প্রস্তাবে মেয়ের পরিববার রাজি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনজন মিলে ধর্ষণ করেছে। তাকে ধর্ষণের শিকার মেয়েটি শনাক্ত করেছে। আটক গোবিন্দ ফৌজদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য দুই যুবককে গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে ওসি জানান।

এ ব্যাপারে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের  (কেএমপি) কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ঘটনাটিকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। অপরাধী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত