বিএনপির ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ট্যাক্স না দিলে জেলে যেতে হবে, ইউটিলিটি বিল না দিলে শাস্তি হবে। বিদ্যুৎ-পানির বিল না দিলে লাইন কেটে দেওয়া হবে, সোজা কথা।’
গতকাল রবিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তারা খাজনা-ট্যাক্স-ইউটিলিটি দেবে না, এটা তাদের বাপ-দাদার সম্পত্তি? দেশ কি আরেকবার স্বাধীন হচ্ছে? এটা কি বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ?’
নির্বাচন ঠেকাতে লন্ডনে পলাতক তারেক রহমানের কথায় সাড়া দিলে বিএনপি নেতাকর্মীদের আম-ছালা সব যাবে বলে হুঁশিয়ার করে দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘বিদেশে বসে রিমোট কন্ট্রোলে উদ্ভট আন্দোলনের ডাক দিচ্ছেন, সাহস থাকলে দেশে আসেন না কেন? বাংলাদেশে খোমেনি স্টাইলের বিপ্লব হবে না। হয় রাজপথে, না হয় জেলে যেতে হবে, বিদেশে বসে আন্দোলন হবে না।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ষড়যন্ত্র হচ্ছে। কিন্তু এ দেশে আর ওয়ান-ইলেভেন হবে না। পিটার হাস ভারতে গেছেন। কিন্তু ভারতের অবস্থান এক জায়গায়। তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা নির্বাচন বর্জন করছে, দেশের জনগণই তাদের বর্জন করতে শুরু করেছে। যারা সন্ত্রাস করছে, তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব আরও সংকুচিত হবে, অনিশ্চয়তা বাড়বে, নেতিবাচক রাজনীতির জন্য, সন্ত্রাসের পথ তারা বেছে নিয়েছে। এই সন্ত্রাসের রাজনীতি আর গণতন্ত্র বিপরীতমুখী। যারা সন্ত্রাস করে, তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।’
নির্বাচনী সহিংসতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দলের প্রার্থী কিংবা স্বতন্ত্র, যারা অনেকে আমাদের দলের, তাদেরও প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ভাবতে হবে। কোনোপ্রকার বৈরী মনোভাব সমর্থনযোগ্য নয়। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। তারা যেই হোক, পক্ষপাতিত্ব করা হবে না। আইন ভাঙলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইসির আইনগত পদক্ষেপকে আমরা সমর্থন করি।’
