কসবা রেলস্টেশনে সিগন্যাল যন্ত্রে শর্টসার্কিট হওয়ায় গত ১৬ দিন ধরে অচল হয়ে আছে সিগন্যাল ব্যবস্থা। গত ২০ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্টেশন কর্তৃপক্ষ। এতে করে প্লাটফর্ম লাইনে ট্রেন ঢুকতে না পারায় যাত্রীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এবং দূর্ঘটনার আশঙ্কায় যাত্রী সাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ রেলওয়ের সিনিয়র সহকারী বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী মো.আমির হোসেনকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ চলছে বলে জানা যায়। স্টেশন সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ডিসেম্বর মধ্যরাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সিগন্যাল যন্ত্রে কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় স্টেশনের দুপাশে থাকা সব সিগন্যাল বাতি। সিগন্যাল কাজ না করায় দূর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় সরাসরি লাইনে ট্রেন থামানোর ব্যবস্থা করা হয়। এর পর থেকে এই নিয়মে ট্রেন চলাচল কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। এদিকে স্টেশনের প্লাটফর্ম লাইনে ট্রেন আসতে না পারায় যাত্রীদের উঠা-নামায় সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও বয়ষ্ক যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কসবা রেল স্টেশন মাস্টার মো. শফিকুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সিগন্যাল লাইন হঠাৎ করে অকেজো হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পরতে হয় আমাদের । তবে বিকল্প ব্যবস্থায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রেখেছি। ঘটনার পরপরই বিষয়টি ঊধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে টেকনিশিয়ান টিম এসে ত্রুটি খুঁজে বের করে। এ ব্যপারে ৪ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত টিম গঠন করা হয়। আশা করছি, দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে।’
