জীবনে প্রথম ভোট দিতে পেরে খুশি ঐশি

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৪, ০২:৩৩ পিএম

জীবনে প্রথমবার ভোট দিতে পেরে খুশি ঐশি। রাজধানী স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী তিনি। বাবা-মায়ের সাথে থাকেন মালিবাগ। এবার প্রথম ভোটার হয়েছেন। ভোটকেন্দ্র সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এটি ঢাকা-৮ নম্বর আসন।

ভোটকেন্দ্রে ঐশীর সঙ্গে এই প্রতিবেদকের দেখা হয় দুপুর দেড়টায়। কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলায় ঐশি ব্যালট নিচ্ছিলেন। মা ছবি তুলছিলেন। নানা ধরনের নির্দেশনা দিছিলেন মেয়েকে। একসময় ঐশি বিরক্ত হয়ে বললেন, আমি পারবো।

জীবনে প্রথম ভোট দিতে পেরে এবং ভোটার হতে পেরে বেশ খুশি ঐশি। প্রচণ্ড উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে। এটাই জীবনের প্রথম ভোট। আমার কিছু বন্ধুও এবার নতুন ভোটার হয়েছে। ওদের সঙ্গে এই ভোটটা উদযাপন করব।

ঐশির সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন ঐশীর মা সায়মা নাসরিন। তিনি ভোটার অন্য কেন্দ্রের। মেয়ের সাথে এসেছেন কেন্দ্রে। তিনিও একমাত্র মেয়ে ভোটার হওয়ায় বেশ খুশি।

মা সায়মা আনন্দ নিয়ে বললেন, ভোটের পরিবেশ খুব ভালো। আমরা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরেছি।

এ সময় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রশংসা করলেন সায়মা। জানালেন, এখন ঘরে বসেই জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্ট কার্ড দিয়ে ভোটার নম্বর, ভোটকেন্দ্র জানা যায়। তারা গতকাল রাতেই সমস্ত তথ্য জেনে নিয়েছেন।

ঐশী বললেন, আমাদের প্রজন্মের সঙ্গে ডিজিটাল পদ্ধতি যুক্ত হওয়ায় আমরা খুব খুশি। এখন আর টেবিলে এসে খুঁজে খুঁজে ভোট নম্বর সংগ্রহ করতে হয় না। রাতেই স্মার্ট ফোন স্ক্যান করে সমস্ত কিছু সংগ্রহ করেছি। আজ নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে গেলাম।

ঐশী বলেন, আমার এখন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। তাই আমি আমার পছন্দের প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছি। আশা করছি আমার প্রার্থী জয়লাভ করবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত