এমআরটি পাসে টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ!

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:৩৫ পিএম

এমআরটি পাস করার সময় টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ করেছেন একজন মেট্রোরেল যাত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মেট্রোরেলের একটি কমিউনিটি গ্রুপে তিনি এ অভিযোগ করলে সেখানে সমালোচনা হচ্ছে। কেউ বলছেন, টাকাটা ফেরত না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কেউ বলছেন, পুরো এরিয়া সিসি কাভারেজ, নোট টেনশন। আবার কেউ বলছেন, মনিটরে নজর রাখা দরকার ছিলো।

রবিবার (২৮ জানুয়ারি) গ্রুপে সুমাইয়া জোয়ার্দার মিতুল নামের ওই মেট্রো যাত্রী লিখেছেন, 'আজকে দুপুর ৪টায় আমি সচিবালয় স্টেশন থেকে এমআরটি পাস করার জন্যে ফর্ম পূরণ করে এক হাজার টাকা জমা দেই। কিন্তু পরবর্তীতে ফার্মগেট স্টেশনে এসে পাঞ্চ করে বের হওয়ার সময়ে দেখতে পাই যে আমার কার্ড এ ২৭৩ টাকা আছে। তার মানে আমার কার্ডে ৫০০ টাকা রিচার্জ হয়েছে। কিন্তু আমাকে বাকি ৫০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।'

সুমাইয়া আরও লিখেছেন, 'পরবর্তীতে আমি সন্ধ্যায় আবার কারওয়ান বাজার স্টেশন থেকে সচিবালয়ে নেমে অফিসে ঘটনাটি বলি। এইসময় অন্য একজন কাউন্টারে ছিলেন। উনি বললেন যে এখন তো আর কিছু করার নাই। আমাকে একটা ফর্মে বিকাশ অ্যাকাউন্ট আছে এমন একটা ফোন নম্বর লিখে দিতে বলে বললেন, যদি উনারা দিন শেষে দেখে যে ৫০০ টাকা বেশি আছে তাহলে নাকি এই নম্বরে বিকাশ করে দেবেন।'

তিনি তার টাকাটা ফেরত পাবেন কিনা সেটাও জানতে চেয়েছেন। তিনি লিখেছেন, 'এখন আসলেও কি টাকাটা আমি ফেরত পাব নাকি টাকাটা গচ্ছা যাবে বুঝতে পারছি না। আর কোনো করণীয় আছে কি?'

আসাদ নামের আরেক যাত্রী সেখানে কমেন্ট করেছেন, 'আমার মনে হয়, না পাওয়া সম্ভাবনাই বেশি। এটি আপনার ব্যক্তিগত ভুল। অন্য কেউ এটার জন্য দায়ী নয়। রেজাল্ট যাই হোক আপনাকে মেনে নিতে হবে।'

সাইফুল বারি মাসুম লিখেছেন, 'না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সরকারের এমন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৎ লোকের খুবই অভাব।'

মুনতাসির আলম লিখেছেন, 'আমার এরকম অবস্থা হয় ফার্মগেইটে। আমি সেখানে তখনই যোগাযোগ করলে তারা মেশিন খুলে টাকা গুনে। মেশিনে ৫০ টাকা বেশি পেয়ে আমাকে সেটা ফেরত দেয়।'

সাকিব খান লিখেছেন, 'মনিটরে নজর রাখা দরকার ছিল।'

শান্তা নামের আরেকজন লিখেছেন, 'প্রতিদিন রাত ৮টায় সব ভেন্ডর হিসাব ক্লোজ করে। এরপরে রাতেই বা পরদিন যোগাযোগ করলেই টাকা রিটার্ন পাবেন। আপনি অভিযোগ জমা দিয়ে আসুন উনারা কাজ করবেন। আর পুরো এরিয়া সিসি কভারেজ আছে। নো টেনশান।'

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত