রিলস-শর্টসের যুগে অ্যালবাম শুনবে কে?

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:৪২ এএম

অনেক কাজের কাজী লুৎফর হাসান। লেখালেখি থেকে গান করা, অভিনয় থেকে নির্মাণ সবেতেই আছেন তিনি। মুখে মুখে ফেরা একাধিক গানের গায়ক। লেখালেখির ক্ষেত্রে সব্যসাচী, গানের ক্ষেত্রে নাক উঁচু, বাছবিচারী। সর্বসাম্প্রতিক নানা কাজ আর বিষয়-ভাবনা নিয়ে তার মুখোমুখি ইমরোজ বিন মশিউর

নতুন অ্যালবাম

অ্যালবামের বিষয়টি সেই ২০১৪ সালেই শেষ হয়েছে। এখন আর অ্যালবাম কীসের! এখন তো দেখি জুকবক্স, কেউ কেউ অ্যালবাম করেন কয়েকটি সিঙ্গেল দিয়ে। তেমনি তো দেখি। তবে আমি আর অ্যালবাম করব না। অ্যালবাম কে শুনবে, এর লগ্নি উঠে আসবে কীভাবে? রিলস-শর্টসের যুগে একটানা এতগুলো গান কে শুনবে? আমি এখন একটা করে সিঙ্গেল করব, রিলিজ করব।

লেখক না গায়ক

আমি সর্বোপরি একজন লেখক। আমি মূলত লেখক, গান করি শখের বশে। গানটি (ঘুড়ি তুমি কার আকাশে ওড়ো) আলোচিত হওয়ার পর একটা দায় চলে আসে। শ্রোতাদের প্রতি সেই দায় থেকেই মূলত গান করি।

প্রিয় লেখা

আমি তো বেশ কিছু বই লিখেছি। এর মধ্যে অনেক লেখাই ভালো লাগে। তবে বিশেষ একটি বই আমার বেশ প্রিয়। এর কারণও আছে। বইটা হলো ‘আব্বা আমার দূরত্বকে ভালোবেসেছিলেন’। ওই লেখাটা লিখে আমি শান্তি পেয়েছি। বাবা কখনো আমার বই পড়েন না। উনি বইটা পড়েছেন এবং সেই পাঠানুভূতির কথা মা আমাকে জানিয়েছেন। আরেকটা বই আমার ভালো লাগে, বইটা অনেকেরই পছন্দ বা প্রিয় তালিকায় আছে বলেই জেনেছি। বইটার নাম ‘ফেকুয়া’। ওটা ছিল একটা উপন্যাস। এইতো...

নতুন বই নতুন গানের খবর

এবার মেলায় আমার নতুন একটি বই-ই আসছে, উপন্যাস। বইটির নাম ‘৫ ফেব্রুয়ারি’। ইতিমধ্যে এসে গেছে। আর গান নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রতি সপ্তাহে আমার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল থেকে একটি করে গান অবমুক্ত করব। আমার লেখা-সুরে গানগুলো অবমুক্ত হবে। আমি গাইব বা অন্য কোনো শিল্পী গাইবেন। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এই প্রকাশনা শুরু হবে।

বিশেষ স্মৃতি

গান নিয়ে একটা স্মৃতি আছে। ওটা মজারও। আমি উত্তরা থেকে আসছিলাম, অনেকটা রাত হয়ে গিয়েছিল। পথে ধরল ছিনতাইকারী। ওরা তো আমার সব ছিনিয়ে নেবে। তখন আমি বলে ফেলেছিলাম- আপনারা তো আমার গান শুনে বড় হয়েছেন। তারপর তারা জানতে চায় এবং জানার পর তারা আমাকে সেদিন বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছিল।

যে পরিচয়ে অভ্যস্ত

আমি একজন সৃজনশীল মাধ্যমের মানুষ। একজন সৃজনশীল মানুষ পরিচয় দিতেই অভ্যস্ত বা ভালো লাগে আমার। আমি এ মাধ্যমে পরিশ্রম করে আনন্দ পাই।

ভিজ্যুয়াল মিডিয়ায় কাজ

প্রতিটা মানুষেরই অনেক গল্প থাকে। সৌভাগ্যবশত আমার অনেকগুলো গল্প প্রকাশিত, অপ্রকাশিতও কিছু গল্প আছে। সেই সঙ্গে কিছু সমাদৃত গল্পও আছে। যেহেতু আমি ভিজ্যুয়াল মিডিয়ায় দীর্ঘদিন কাজ করেছি নির্মাতা হিসেবে। সেহেতু একটা ইচ্ছা তো থাকেই, আমারও আছে। আমি হয়তো আগামী বছর বা ২০২৫ সালে একটা কিছু করার প্রস্তুতি নেব। তবে সেটা কবে শেষ হবে জানি না। এটা মূলধারা বা পূর্ণদৈর্ঘ্য কোনো চলচ্চিত্র না। তবে সিনেমা নির্মাণে নামব। শর্টফিল্ম দিয়েই শুরু করব।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত