দ্রুতগামী বাস কেড়ে নিল মা-মেয়ের প্রাণ

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:৪৪ পিএম

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের মাদলা নামক স্থানে বগুড়া নগড়বাড়ি মহাসড়কে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাস-সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছে।

নিতরা হলেন বেলতৈল ইউনিয়নের কাদাই বাদলা মিস্ত্রী পাড়া গ্রামের সুধাম সুত্রধরের স্ত্রী মিতু রানী সুত্রধর (৩০) ও মেয়ে ইচ্ছা মনি (৭)।

এঘটনায় আহতদের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আহত সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আহত ও নিহতরা শাহজাদপুর থেকে সিএনজিযোগে পাবনা জেলার কাশিনাথপুরে আত্মীয় বাড়িতে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিল। যাত্রীবাহী সিএনজিটি মাদলা নামক স্থানে পৌঁছালে চাটমোহর থেকে ছেড়ে আসা নারায়ণগঞ্জগামী শাহজাদপুর ট্রাভেলস বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মিতু ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে মেয়ে ইচ্ছা মনি নিহত হয়। চালকসহ অপর যাত্রীরা আহত হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইচ্ছা মনিকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকার পঙ্গু, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করে।

শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শারমিন আলম বলেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতাল, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

শাহজাদপুর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

শাহজাদপুর থানার ওসি খায়রুল বাসার জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। ঘাতক বাসটি হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশ আটকের চেষ্টা করছে। এঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত